সাপের ইনজেকশন বিষয়টি অতীব জরুরি। 


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১২, ২০২২, ৬:১৯ অপরাহ্ন / ২৭৯
সাপের ইনজেকশন বিষয়টি অতীব জরুরি। 
সাপের ইনজেকশন বিষয়টি অতীব জরুরি।      
এম,এ,জলিলঃ
বচনে বলে সাপের লেখা আর বাঘের দেখা এই দুটি জিনিস যদি বাস্তবতার ভিত্তিতে দেখা হয়ে যায় তাহলে সেই বচনের কথাটার তৎপর্য ব্যাখ্যা করলে আসলে সেটাই মানব জীবনের জন্য বড় খতিকর দিকের  একটি অন্যতম কারন হয়ে দাঁড়ায়। তাই তো সময় থাকতে পারিনা এই সামান্যতম একটি সেবার উপকরণ মানুষের দৌড় গোড়ায় পৌঁছায়ে দিতে।
দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের অতিহ্যবাহি জেলা যশোর জেলা আর যশোর জেলার প্রতিটি উপজেলার সহর বা নগর,পৌর,ইউনিয়ন বা গ্রাম্য কেন্দ্রীক সরকারী বা বেসরকারী হাতপাতাল গুলোতে সাপের ইনজেকশন রাখা অতীব জরুরি।কিন্তু দুঃখের বিষয় সাপে কাটা রোগীদের সাপের ইনজেকশন খুবই  জরুরি হওয়া সত্ত্বেও কোথাও কোন হাসপাতালে জীবন চলে গেলেও চিকিৎসার কোন সুরাহ মিলবে না বলে মনে হয়।
মানুষ সামাজিক জীব আর সামাজিক জীব হিসাবে মানুষ তার পরিবার পরিজন আত্মীয় স্বজন নিয়ে বাস বসবাস। আর এই বাস বসবাসের মধ্যে গ্রামেই অধিকাংশ লোকের বসবাস। সেই আলোকে শতকরা ৮০% গ্রাম্য লোকেরা কৃষি কাজ করে। আর সেই কৃষি কাজগুলো করতে হলে দিন রাত পরিশ্রম করতে হয় মাঠে ঘাটে। তার পরেই হয়তো হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম এর ভিত্তিতে কৃষকের স্বপ্নের ফসল ঘরে আসে।  সাপের ইনজেকশন নিয়ে মন্তব্য প্রতিবেদনে সাংবাদিক আঃজলিলের কিছু কথা নিয়ে তুলে ধরা হলঃ
উপজেলা বা গ্রামের হাসপাতাল গুলোতে সাপে কামড়োনো কোন ওষুধ বা ইনজেকশন পাওয়া যায়না।কারণ সাপ গ্রামেই বা মাঠে ঘাটে  বিভিন্ন রাস্তার আশে পাশে ঝোপ জঙ্গলে  থাকে,শহরের খুব একটা নয়। বিশাক্ত কোন সাপে যদি কাওকে দংশন করে তাহলে ওই সাপে কামড়ানো ব্যাক্তিকে গ্রাম্য কবিরাজের সড়নাপন্ন হতে হয় ফলে অনেক সময় কবিরাজের ভুলের কারনে বা হিড়াহিড়ির জন্যই দেরি হয়ে যায় আর তখনি সাপে কামড়ানো ওই রোগীর মৃত্যু মুখে পতিত হয়।
গ্রাম্য বা উপজেলা ভিত্তিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রীক  হাসপাতাল গুলোতে সাপে দংশনের কোন ডাক্তারিক চিকিৎসা একেবারে নাই বললে চলে। তাই গ্রাম্যময় এলাকা থেকে শহরে নিয়ে যাওয়ার সময় দেরি হওয়ার কারণে  প্রতিমধ্যে অকালে  নিভে যায় অনেক তর- তাজা মানব দেহের প্রান।
যাহার ভুলের খেসারত হিসাবে দিতেই হয় বিভিন্ন খেটে খাওয়া, অসহায়, গরিব দুখি,দুঃস্হ, গ্রাম্য কেন্দ্রীক মানুষ গুলিকে।সমাজের এ থেকে পরিবর্তন ফিরে আনতে গেলে আমাদের গ্রাম্য হাসপাতাল বা উপজেলার হাসপাতাল গুলোতে সাপের ইনজেকশন যাতে সহজে পাওয়া যায় সেদিকে সরকারের উদ্বোধন কতৃপক্ষ খেয়াল রাখলে অসহায় খেটে খাওয়া গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের বিশেষ উপকৃত হবে।

বাংলাদেশ ভ্রমণে আসা ইউরোপীয় পর্যটক দলটি বেনাপোল দিয়ে ভারতে ফিরে গেছেন।

আঃজলিল, স্টাফ রিপোর্টারঃ–

বিশ্বের বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির শত বছরের পুরোনো ১৬টি কার দুটি মোটরসাইকেলের র‌্যালি নিয়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে আসা ৪৩ ইউরোপীয় পর্যটক দলটি বেনাপোল দিয়ে ভারতে ফিরে গেছেন। বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা পরিদর্শন করে ছয়দিন পর তারা ভারতে ফিরে গেলেন। বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি কামাল হোসেন ভূইয়া প্রত্যেক পর্যটককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, ফারজানা ইসলাম, আইসিপি ক্যাম্পের সুবেদার নজরুল ইসলামসহ অনেকে। শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে কার র‍্যালির ৪৩ জন পর্যটক ভারতে প্রবেশ করে। এর আগে গতকাল যশোরের জাবির হোটেল ইন্টারন্যাশনালে তারা রাত্রিযাপন করেন। গত রবিবার (৬ নভেম্বর) সকালে ভারতের ডাউকি সীমান্ত হয়ে সিলেটের তামাবিল ইমিগ্রেশন কাস্টমস সম্পন্ন করে বাংলাদেশ আসেন ৪৩ জনের বিদেশি পর্যটকের একটি দল। পরে মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে তারা গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে পৌঁছান।

সারাহ রিসোর্টে একদিন রাত্রিযাপন শেষে গত বুধবার (৯ নভেম্বর) সকালে তারা পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা হন। এখানে একরাত থাকার পর বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) যশোর পৌঁছায় এই পর্যটক দলটি। যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আজ তারা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হন তারা। ভ্রমণকালে বাংলাদেশের মানুষ, প্রকৃতি, শিল্প, সংস্কৃতি, খাবারের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন বিদেশি এই পর্যটক দলটি। ইউরোপীয় পর্যটক দলটি যশোরের মানুষের আচার-আচরণ, প্রাকৃতিক রূপ, আর আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছেন বলে জানান তারা। গত ২০ অক্টোবর থেকে ‘ইস্ট হিমালয়া ক্লাসিক্যাল কার র‍্যালি শীর্ষক  ভিনটেজ কার র‌্যালিতে অংশ নেয়া দলটি এ বছর বাংলাদেশসহ তিনটি দেশ ভ্রমণ করে। তিন হাজার ২৪৪ কিলোমিটারের পথ পাড়ি দিয়ে র‌্যালিটি কলকাতায় গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। শত বছরের পুরানো বিশ্বের নামিদামি মডেলের বিভিন্ন কোম্পানির কার দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন বেনাপোলের মানুষ। র‌্যালিটি বেনাপোল পৌঁছালে শত শত লোকজন শত বছরের পুরোনো কারগুলো দেখার জন্য ভিড় জমায়। বেলজিয়াম, পর্তুগাল, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্যসহ অন্তত ৯টি দেশের নাগরিক নিজেদের খরচে এই ভ্রমণ বের হন। প্রতিবছর তারা এই অ্যাডভেঞ্চার আনন্দ শোভাযাত্রা করে থাকেন বলে জানা গেছে।

পর্যটক দলের কো-অর্ডিনেটর ও দ্যা জার্নি ওয়ালেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান জানান, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের আন্তর্জাতিক র‍্যালি প্রবেশ করেছে। কার র‍্যালিতে অংশ নেওয়া বিদেশি নাগরিকরা বাংলাদেশের আতিথেয়তায় খুব খুশি। তারা বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতিকে বেশ পছন্দ করেছেন।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, ইউরোপীয় পর্যটকের একটি কার র‍্যালী সকালে বেনাপোল চেকপোস্টে আসে। অতি দ্রুততার সাথে তাদের পাসপোর্টের কার্যক্রম সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। কার্যক্রম শেষে তারা ভারতে প্রবেশ করেছে।

প্রেরক,

আঃজলিল