“২৯ প্রকল্প চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিলাম প্রধানমন্ত্রী।”


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৫, ২০২২, ৬:০৩ অপরাহ্ন / ২৬৮
“২৯ প্রকল্প চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিলাম প্রধানমন্ত্রী।”

“২৯ প্রকল্প চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিলাম প্রধানমন্ত্রী।”
মোঃ ইব্রাহিম শেখ চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চট্টগ্রাম আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা। তাই আমি চট্টগ্রামের কথা সব সময় মনে করি। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা উন্নয়ন করি। মানুষের কল্যাণে কাজ করি। চট্টগ্রামে আজ ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধন ও চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। আমি এ প্রকল্পগুলো চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিয়ে গেলাম।
রবিবার (৪ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে
আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উদ্বোধন করা প্রকল্পের নাম তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের টাকা মেরে খাই না। আমরা চাই
জনগণ আর দেশের উন্নতি। চট্টগ্রামকে এগিয়ে নিতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলায় হালদা নদী
ও ধুরং খালের তীর সংরক্ষণ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, সন্দ্বীপ উপজেলার ৭২ নম্বর পোল্ডারের ভাঙনপ্রবণ এলাকায়
স্লোপ প্রতিরক্ষা কাজের মাধ্যমে পুনর্বাসন প্রকল্প ও বাঁশখালী উপজেলায় পোল্ডারের সমন্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের
স্থায়ী পুনর্বাসন প্রকল্প উদ্বোধন করলাম।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই আমাদের সন্তানরা লেখাপড়ায় এগিয়ে যাক। তারা মানুষের মত মানুষ হয়ে
দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কিছু প্রকল্প আমরা আজ উদ্বোধন করে
দিয়েছি। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে সীতাকুণ্ড টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফটিকছড়ি
টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং রাউজান টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবন নির্মাণ। চট্টগ্রামের
কোতোয়ালী থানাধীন দারুল উলুম আলিয়া মাদরাসার একটি ছয়তলা ভবন এবং সীতাকুণ্ড টেকনিক্যাল স্কুলের
একটি পাঁচতলা ভবন ও একটি চারতলা প্রশাসনিক ভবন, ওয়ার্কশপ, একতলা সার্ভিস এরিয়া ভবন নির্মাণকাজ
শুরু হবে।
তাছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে কোতোয়ালী থানাধীন গুল-এ-জার বেগম সিটি করপোরেশন
বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়তলা ভবন, কাপাসগোলা সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়তলা ভবন,
চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবন, কুসুমকুমারী সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের
ছয়তলা ভবন, পূর্ব বাকলিয়া সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়তলা ভবন, মীরসরাই উপজেলার করেরহাট
কে এম উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন, পাঁচলাইশ থানাধীন বন গবেষণাগার উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয়তলা ভবন,
বোয়ালমারী উপজেলাধীন হাজী মোহাম্মদ জানে আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন, পটিয়া আদর্শ উচ্চ
বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন, সন্দ্বীপের সন্তোষপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন এবং ডবলমুরিং থানাধীন
সরকারি সিটি কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবন তৈরি হবে। এছাড়াও পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের
একটি ভবন সম্প্রসারণ, সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের লালদিঘি মাঠের ছয় দফা মঞ্চ নির্মাণসহ সংস্কার কাজ
এবং খুলশী থানাধীন সিএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবনের সম্প্রসারণ কাজ উদ্বোধন করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, স্বাস্থ্যসেবার দিকেও নজর রয়েছে আমাদের। সাধারণ মানুষ বাঁচার মত বাঁচবে- এটাই আমরা
চাই। স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরো এগিয়ে নিতে মীরসরাইয়ে হিংগুলি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র এবং লোহাগড়ায় চুনতি ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিটাক চট্টগ্রাম কেন্দ্রের
নারী হোস্টেল নির্মাণ করে দিচ্ছি। প্রবাসীদের প্রশিক্ষণের জন্য নাসিরাবাদে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান
মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষানবিস প্রশিক্ষণ দপ্তর সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ করে দেব। ব্যবসা বাণিজ্যের
উন্নয়নে চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য দুটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাগবোট সংগ্রহ শীর্ষক প্রকল্প ও চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন
ইয়ার্ড এবং টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ শীর্ষক প্রকল্প ও দেওয়ানহাটে হর্টিকালচার সেন্টারে
একটি প্রশিক্ষণ ও অফিস হবে।
তাছাড়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রামের মীরসরাই ও সন্দ্বীপ অংশে জেটিসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনাদি
নির্মাণ, আনোয়ারায় বাংলাদেশ মেরিন অ্যাকাডেমির আধুনিককরণ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে
পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় আধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন জাতিসংঘ সবুজ উদ্যান স্থাপন এবং বিদ্যুৎ
বিভাগের অধীনে চট্টগ্রামস্থ বিপিসি ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। সবগুলোই প্রকল্প আমি
আপনাদের উপহার দিয়ে গেলাম—যোগ করেন তিনি।  চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজের কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, বিএনপির আমলে চট্টগ্রামের কোন উন্নতিই হয়নি। বিএনপি মানুষের ক্ষতি করে, বিভ্রান্ত করে। তারা দুটো কাজ ভালো জানে। একটি হলো খুন
আরেকটি হলো লুটপাট। আর আমরা ক্ষমতায় এসে সারাদেশের পাশাপাশি চট্টগ্রামের উন্নয়নে জোর দিয়েছি।
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর করে দিচ্ছি। চট্টগ্রামে মেট্রোরেল হবে। মিরসরাইয়ে অর্থনৈতিক
অঞ্চল করেছি। সেখানে বিনিয়োগ আসছে। বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানর সুযোগ তৈরি হবে সেখানে। পতেঙ্গা সমুদ্র
সৈকতে মেরিন ড্রাইভ করেছি। চট্টগ্রাম বন্দর সম্প্রসারণ করে দিচ্ছি। তাই বে-টার্মিনাল করে দিচ্ছি। ঢাকা-
চট্টগ্রামের রাস্তা ছয় লেইন করে দেবো।  শেখ হাসিনা বলেন, মহিউদ্দীন চৌধুরী যখন বেঁচে ছিলেন তখন সব সময় আমাকে বলতেন টানেল করে দেয়ার কথা। আজ তিনি বেঁচে নেই। কিন্তু তাঁর কথা মনে পড়ে। আমরা আজ কর্ণফুলী টানেল বাস্তবায়ন করেছি।
আনোয়ারার সাথে যোগাযোগ এখন সহজ হবে। বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। সাব মেরিনের মাধ্যমে
সন্দ্বীপে বিদ্যুৎ দিয়েছি। কাজেই চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুতের সংকট পড়বে না।
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কি অবস্থা ছিল?
১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে শান্তি চুক্তি করেছি। সারাদেশে শতসেতু করে দিয়েছি। এরমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামেই
রয়েছে ৪৫টি। সীমান্তে যোগাযোগ সহজ করেছি।
ডিজিটালাইজেশনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করে দেশকে
ডিজিটাল করেছি। বিএনপির আমলে একটা মোবাইল সেট কিনতে লাখ টাকার উপরে লাগতো। আর এখন সবার
হতে হাতে মোবাইল ফোন। রিজার্ভের টাকা মানুষের কল্যাণে খরচ করছি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা রিজার্ভের টাকা মেরে খাইনি। সব জনগণের কল্যাণে ব্যয় করেছি। করোনার দুঃসময়ে ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা দিয়েছি। বিনা পয়সায়
মানুষকে ভ্যাক্সিন দিয়েছি। জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিয়েছি। আমরা চলতি অর্থবছরে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছি। সকল সরকারি কর্মচারিদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছি। ৩৫ লাখ মানুষকে বিনা পয়সায় ঘর করে দিয়েছি। আমরা চেয়েছি সকলের মাথা গোজার ঠাঁই হোক।

“সব পথ এক হয়ে মিলেছে যেখানে”
মোঃ ইব্রাহিম শেখ চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

হাতে রঙ-বেরঙের ব্যানার-ফেস্টুন, গায়ে জড়ানো বিভিন্ন রঙের টি-শার্ট।
মুহুর্মুহু স্লোগান আর একসঙ্গে ছুটে চলা।সবার গন্তব্য যেন মিশেছে একই বিন্দুতে। দশ বছর পর চট্টগ্রামে
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরে চলছে উৎসবের আমেজ।
রোববার (৪ ডিসেম্বর) নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে যোগ দিতে নগরের
পলোগ্রাউন্ড মাঠে যাচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। প্রতিটি সড়কই যেন লোকে লোকারণ্য। জনসভায় যোগ দিতে নগরের
বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলা থেকে এসেছেন নেতাকর্মীরা। প্রতিটি উপজেলার জন্য রাখা রয়েছে
আলাদা রঙের ড্রেস কোড।
সন্দ্বীপ থেকে জনসভায় যোগ দিতে আসা এক কর্মী জানান, আমরা সন্দ্বীপ থেকে ভোরে এসে পৌঁছেছি। গতকাল
মধ্যরাতে রওনা দিয়েছিলাম চট্টগ্রাম আসার উদ্দেশ্য। একটু কষ্ট হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পারবো, এর
চেয়ে সুখের আর কি হতে পারে।
সন্দ্বীপ আসনের এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা বলেন, দীর্ঘ দশ বছর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে এসেছেন।
সন্দ্বীপের ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা থেকে ১৫ হাজার নেতাকর্মী ৫০টি ট্রলার ও দুইটি লঞ্চযোগে চট্টগ্রামে
এসেছে। প্রধানমন্ত্রী অবহেলিত সন্দ্বীপের উন্নয়ন করে সমৃদ্ধ করেছে। নেতাকর্মীদের যাতে সমস্যা না হয় তাই
সবার জন্য থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
এদিকে জনসভাকে কেন্দ্র করে আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলে দেওয়া হয়েছে বিধিনিষেধ। এমএ
আজিজ স্টেডিয়াম থেকে রেডিসন গোলচত্বর, ইস্পাহানী মোড়, টাইগারপাস হয়ে পলোগ্রাউন্ড সমাবেশস্থল পর্যন্ত
সড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতাকর্মীদের সমাবেশস্থলে যোগ
দেওয়ার সুবিধার্থে এ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ বলছে, সমাবেশ যাতে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হয় সেজন্য সমাবেশস্থলসহ আশপাশে এলাকায়
দায়িত্বরত রয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য। এছাড়াও সাদা পোশাকে পুলিশও নিয়োজিত রয়েছে। আছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও।

“ইশরাকের জনসংযোগে হামলা, গাড়ি-ভাঙচুর”
মোঃ ইব্রাহিম শেখ চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ ঘিরে রাজধানীতে
জনসংযোগ করার সময় হামলার শিকার হয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।
রোববার (৪ ডিসেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ নেতাকর্মী
আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এসময় ইশরাকের গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে
বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, বিএনপির আগামী ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ সামনে রেখে রাজধানীতে জনসংযোগ করছিলেন
ইশরাক। সমাবেশের সমর্থনে লিফলেট বিতরণ করছিলেন তিনি। এসময় বংশাল হয়ে ইসলামপুর বাবুবাজার
অতিক্রম করার পর তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে।
এর আগে দুপুরে রাজধানীর মতিঝিল, গোপীবাগ এবং ওয়ারী এলাকায় গণসংযোগ করেন ইশরাক হোসেন।
এসময় ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ সামনে রেখে বাসায় বাসায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি হয়রানির
অভিযোগ এনে ওয়ারী থানায় গিয়ে নেতাকর্মীদের হয়রানি না করতে অনুরোধ জানান তিনি।
ইশরাকের জনসংযোগ গোপীবাগ এলাকা থেকে ওয়ারী, ইত্তেফাক মোড় হয়ে বংশাল, জয়কালী মন্দির, টিপু
সুলতান রোড, রথখোলাসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
পরে বংশাল থানায় গিয়েও নেতাকর্মীদের হয়রানির বিষয়ে অবহিত করেন ইশরাক। এরপর বংশাল হয়ে
মিছিলযোগে ইসলামপুর বাবুবাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
এতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল এবং সেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ
নেন। ইশরাক হোসেন বলেন, পুলিশি হয়রানি, হামলা-মামলা বা গ্রেফতার করে সমাবেশ ঠেকানো যাবে না।