“সারিয়াকান্দিতে কুমড়ো বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত নারীরা।”


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৫, ২০২২, ৭:২৭ অপরাহ্ন / ৬৮০
“সারিয়াকান্দিতে কুমড়ো বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত নারীরা।”

“সারিয়াকান্দিতে কুমড়ো বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত নারীরা।”
আর.এ রাশেদ, সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে কুমড়োবড়ি তৈরীতে ব্যস্ত নারীরা।
পৌর এলাকার সাহাপাড়ায় কুমড়োবড়ি তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন কারিগররা। গ্রামটিতে ভোর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরগরম হয়ে উঠছে গ্রামের নারীরা। সরকারের কোন নজর না থাকলেও  হস্তশিল্পের এই পল্লীটি  বংশ পরমপরায় এখনো চলছে রমরমা ভাবে। সরকারী সহযোগীতা পেলে এখানকার কারিগররা আরো উন্নতমানের কুমড়োবড়ি তৈরী করতে পারতো। তবে কুমড়োবড়ি তৈরীতে সাহায্য সহযোগিতা না পেলেও পৌর এলাকার পল্লীটিতে  প্রায় ১১ লক্ষ টাকার কুমড়োবড়ি বেচা-কেনা করে থাকেন কারিগররা। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বংশ পরমপরায় নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে মার্চ মাস পর্যন্ত এই কুমড়োবড়ি তৈরী করে থাকেন পরিবারের নারী সদস্যরা। এর একমাত্র উপাদান হলো মাসকলাই। চরাঞ্চলে ব্যাপকহারে উৎপাদন ছাড়াও সারিয়াকান্দির বিল এলাকার পতিত জমিতে বিনা চাষে এ কলাই উৎপাদন হয়ে থাকে। হাটবাজার থেকে কলাই সংগ্রহ করার পর ভোর রাত থেকে শুরু হয় সন্ধ্যা পর্যন্ত কারিগরদের কর্মযজ্ঞ। সাহাপাড়ার শংককুড়ি ,মুনজুরী ও গীতা রানী সাথে কথা বলে জানা যায়, বড়ি তৈরী করে বিক্রি করার পর এখন আর তেমন একটা লাভ থাকেনা। বাজারে কলাইয়ের দাম বেশি। এ ছাড়া হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হয় কুমড়োবড়ি তৈরী করতে। দিনে একেক জন ৫ থেকে ৬ কেজি মাসকলাইয়ের কুমড়োবড়ি তৈরী করেন। তৈরী করার পর তা বিক্রি করা হয়। মানের রকমভেদে ৩০০ থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা কেজি দরে। এতে একজন কারিগর দিনে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে থাকেন। ৫ মাস চলে এই কুমড়োবড়ি তৈরী ও বিক্রির কাজ। তাতে ৫ মাসে কমপক্ষে ১১ থেকে ১২ লক্ষ টাকার কুমাড়োবড়ি কেনা-বেচা হয়ে থাকে আমাদের পাড়ায়। কেনার পর অনেকেই দেশ বিদেশে স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে থাকেন আমাদের হাতে তৈরী এই কুমাড়োবড়ি। আবহাওয়া ভালো না হলে কুমাড়োবড়ি তৈরীতে ধ্বস নামে। তখন আমাদের ব্যবসায় মন্দভাব দেখা দেয়। এব্যাপরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, এ সম্পর্কে আমার ধারনা কম। তবে তারা আমাদের সাথে যোগাাযোগ করলে সম্ভব সকল ধরনের সহযোগতিা করা হবে। যাতে করে তারা উন্নতমানের কুমাড়োবড়ি তৈরী করতে পারেন।

আর.এ রাশেদ,

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি

০১৭৭০-৯৯৫১৬১