শুধু ফুল নয় অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে জাতির সূর্য্য সন্তানদের-খুলনা বিভাগীয় কমিশনার।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৩১, ২০২২, ৬:০৯ অপরাহ্ন / ৫৩১
শুধু ফুল নয় অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে জাতির সূর্য্য সন্তানদের-খুলনা বিভাগীয় কমিশনার।
শুধু ফুল নয় অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে জাতির সূর্য্য সন্তানদের-খুলনা বিভাগীয় কমিশনার।
মোঃ শামীম হোসেন- খুলনা –
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান চৌধূরী বলেছেন, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরে শুধু পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেই হবে না। তাদেরকে অন্তরের শ্রদ্ধা থেকে স্মরণ করতে হবে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এইসব মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শত্রুদের মোকাবেলা করেছিলেন। নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন একটি স্বাধীন দেশ। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা অনেকে বড় বড় পদে অধিষ্ঠিত হতে পারছি। তাই আমাদেরকে স্বাধীনতা যুদ্ধের এসব সৈনিকদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করার পাশাপাশি দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হতে হবে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ সব ধরনের মানুষের মধ্যে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা উপলব্ধি করার পাশাপাশি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তা না হলে স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ বিফলে যাবে। ২৮ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন ও বীর বিক্রম শহীদ মহিবুল্লাহ’র পূর্ব রূপসাস্থ মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মোনাজাত শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এরপর তিনি নৈহাটী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন, রূপসা উপজেলার বঙ্গবন্ধু কর্নার ও লাইব্রেরীর শুভ উদ্বোধন ও রূপসা উপজেলার সকল বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করেন।
এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দীন বাদশা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম, বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাজজাদ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ফরহ দিবা শামস, মেডিকেল অফিসার পিকিং শিকদার, প্রকৌশলী এসএম ওয়াহিদুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, নির্বাচন অফিসার মোল্লা নাসির আহম্মেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার রেজাউল করিম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বজলুর রহমান, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সাবেক জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির, নৈহাটী ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন বুলবুল, নৈহাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, ঘাটভোগ ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, রূপসা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মাহবুবুর রহমান, সাবেক সভাপতি তরুণ চক্রবর্তী বিষ্ণু, সাংবাদিক বেনজীর হোসেন, ইউপি সদস্য ইলিয়াজ শেখ, আছাবুর রহমান, আলমগীর হোসেন শ্রাবন, আব্দুর রাজ্জাক শেখ, মো. মাছুম শেখ, রীনা পারভীন, রেশমা আক্তার, লিপিকা দাস প্রমুখ। কৃষকলীগ নেতা জিয়াউদ্দীন জিয়া. সাংবাদিক চিত্ত রঞ্জন সেন প্রমূখ।
দীর্ঘ একযুগ পর খুবিতে পরিচালক ও সমমানের চার বিভাগীয় প্রধানের পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়।
মোঃ শামীম হোসেন- খুলনা –
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর পরিচালক ও সমমানের চার বিভাগীয় প্রধানের পদে সরাসরি নিয়োগ পেলেন চার কর্মকর্তা। ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রি. তারিখ বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২২তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের এই নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। জাতীয় বেতন স্কেলের তৃতীয় গ্রেডে নিয়োগপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তারা হলেন- প্রধান প্রকৌশলী পদে ইঞ্জি. মো. আব্দুর রাজ্জাক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক পদে এস এম আতিয়ার রহমান, চিফ মেডিকেল অফিসার পদে ডা. কানিজ ফাহমিদা এবং অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক পদে শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সচিব রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন লাভের পর তাদের নিয়োগাদেশ ইস্যু করা হবে এবং আশা করা যায় আসন্ন আগামী ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি তাদের নিয়োগ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। ২০১১ সালে গ্রন্থাগারিক পদে সর্বশেষ নিয়োগের পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোন বিভাগীয় প্রধানের পদে সরাসরি নিয়োগ হয়নি। এতোদিন ধরে বিভাগীয় প্রধানের এই পদগুলোতে ভারপ্রাপ্ত অথবা চলতি দায়িত্ব হিসেবে কয়েক দফায় কয়েকজন শিক্ষক/কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর মধ্যে জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালকের এবং চিফ মেডিকেল অফিসার পদে এবারই প্রথম নিয়োগ সম্পন্ন হলো। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন মহিলা কর্মকর্তা এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানের শীর্ষ পদসমূহের মধ্যে চারটি পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ হওয়ায় কর্মকর্তাদের মধ্যে আনন্দ-উদ্যম, নতুন আশা ও আস্থার সঞ্চার হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত চার বিভাগীয় প্রধান প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় তাঁদের এই নিয়োগ প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সিন্ডিকেটের সকল সদস্য এবং নিয়োগ বোর্ডের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের সংগঠন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ইঞ্জি. এস এম মরিুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার মন্ডল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদসমূহের মধ্যে চারটি পদে সরাসরি নিয়োগ প্রদান করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সিন্ডিকেটের সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তারা আশা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ হতাশার অবসান হবে এবং তদস্থলে নতুন কর্মপ্রেরণা ও আশার সঞ্চার হবে যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও গতিশীল করবে। এই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য বিভাগীয় পদগুলো নিকট ভবিষ্যতে পূরণ হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে তারা নিয়োগপ্রাপ্ত চার বিভাগীয় প্রধানকে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ১৯৯২ সালে, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক এস এম আতিয়ার রহমান এবং চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. কানিজ ফাহমিদা ১৯৯৬ সালে, এছাড়া অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৯৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদান করেন।
খুলনার দাকোপে আবুল খয়ের খানের দ্বিতীয় শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
মোঃ শামীম হোসেন- খুলনা-
খুলনার দাকোপ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, চালনা পৌরসভার সাবেক প্রশাসক আবুল খয়ের খানের দ্বিতীয় শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষে দাকোপ উপজেলা ও চালনা পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে নানা কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। কর্মসুচীর মধ্যে বুধবার ২৮ ডিসেম্বর ভোর ৬ টায় চালনা ডাক বাংলাস্থ উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারণ, পবিত্র কোরআন তেলোয়াত, দোয়া মাহফিল এবং বেলা ১১ টায় আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপি আহবায়ক অসিত কুমার সাহার সভাপতিত্বে এবং পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ মোজাফফার হোসেন পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাডঃ এস এম, শফিকুল আলম মনা। প্রধান বক্তৃা বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আমীর এজাজ খান। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম, মনিরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম- আহবায়ক আশরাফুল আলম খান নান্নু। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন চালনা পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক শেখ শাকিল আহম্মেদ দিলু, বিএনপি নেতা আলামিন সানা, দীপক সরদার, শেখ শহিদুল ইসলাম, মোরশেদুল ইসলাম লিটন, সামছুর বারী পান্না, কাসেম সানা, রউফ সরদার, গাজী আঃ বারিক, রহিম তালুকদার, আয়ুব আলী কাজী, মানস গোলদার, শেখ রফিকুল ইসলাম , হালিম হাওলাদার, অমল গোলদার, মুনসুর মীর, শফিকুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, শামীম হাসান, আঃ রাজ্জ্কা শেখ, রমজান গাজী, দেলোয়ার হোসেন, তাহের শেখ, রবিউল ইসলাম মনা, গাজী তরিকুল ইসলাম, মাহামুদ হাসান, শহিদুল ইসলাম,সমির সাহা, সাইদ শেখ, শহিদুল ইসলাম মোল্ল্যা, বদিয়ার রহমান, বুলবুল হাসান, সাইফুল ইসলাম, মাসুদ করিম, মিজান শেখ, নেয়ামত শেখ, জি এম রুমন, প্রশেন রায়, মোশারেফ হোসেন, জুয়েল শেখ প্রমুখ।