“শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাড়ে ৪ কোটি টাকার ৫৬টি স্বর্ণবার উদ্ধার”


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৩, ২০২২, ৫:২৫ অপরাহ্ন / ২৯১
“শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাড়ে ৪ কোটি টাকার ৫৬টি স্বর্ণবার উদ্ধার”

“শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাড়ে ৪ কোটি টাকার ৫৬টি স্বর্ণবার উদ্ধার”
মোঃ ইব্রাহিম শেখ চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উদ্ধার হওয়া এই স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৪ কোটি টাকার বেশি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর আঞ্চলিক কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. সাইফুর রহমান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, এয়ারপোর্ট ও এয়ারফ্রেইট সার্কেল,
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এয়ারট্রেইট সার্কেল ও ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান
বন্দরের কর্মকর্তাদের যৌথ টিম স্বর্ণবারগুলো উদ্ধার করেছে। বিস্তারিত জানাতে গিয়ে বলেন, আজ সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নং-বিজি ১৪৮ উড়োজাহাজের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণবারগুলো পাওয়া যায়।

“বন্দরের মধ্যরাতে পণ্য পাচার, আটক ৬”
মোঃ ইব্রাহিম শেখ চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে ডলারের বিনিময়ে
গ্যাস সিলিন্ডার, অবৈধ মোবাইল সিম কার্ড ও অন্যান্য পণ্য শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পাচার করার সময় ছয়জনকে আটক করেছে
কোস্ট গার্ড। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ডিজেল, বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
শুক্রবার রাতে বন্দরের বহিঃনোঙরে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া
কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে অবস্থানরত ‘এমভি বাও ইউ’ নামক বিদেশি জাহাজে শুল্ক ফাঁকি
দিয়ে খাদ্যদ্রব্য, গ্যাস সিলিন্ডার ও মোবাইল সিম কার্ড ডলারের বিনিময়ে পাচার করছিল। গোপন সংবাদ থাকায় গতকাল
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় বন্দরের বহিঃনোঙরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় জাহাজটির পাশে একটি
স্পিড বোটের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বোটটি ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে বোটে থাকা ছয়জন ব্যক্তিকে
তল্লাশি করে প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যমানের বিদেশি মুদ্রা, ৬৪০ লিটার ডিজেল, ১ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট, ৭ টি
মোবাইল সেট ও পাচার কাজে ব্যবহৃত স্পীড বোটটি জব্দ করা হয়।
খন্দকার মুনিফ তকি সিভয়েসকে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর
প্রয়োজনীয় উপকরণ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। তবে কিছু অসাধু
ব্যবসায়ী বা চোরাকারবারীরা কোন এজেন্সি বা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিদেশি
জাহাজে গ্যাস সিলিন্ডার, অবৈধ মোবাইল সিম কার্ড ও অন্যান্য পণ্য শুল্ক ফাঁকি দিয়ে জাহাজে পাচার করে আসছে।
এই সুযোগ নিয়ে প্রায়শই বিভিন্ন জাহাজে চুরি ও ডাকাতির ঘটনাও ঘটে থাকে। এতে করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চট্টগ্রাম বন্দর
ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। আটক ৬ ব্যক্তি ও জব্দ করা মালামাল পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখানে
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।