শাহীন ক্যাডেট স্কুল কেন্দুয়া শাখার শুভ উদ্বোধন


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৩, ২০২৪, ৭:৪৪ অপরাহ্ন / ১২৭
শাহীন ক্যাডেট স্কুল  কেন্দুয়া শাখার শুভ উদ্বোধন

মোঃ দেলোয়ার হোসেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রাইম রিপোর্টার
 

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের কেন্দুয়া বাজার শাখার শুভ উদ্বোধন।
সরাসরি টাঙ্গাইল হতে পরিচালিত শাহীন ক্যাডেট স্কুল কেন্দুয়া শাখার শুভ উদ্বোধন করেন শাহীন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও শাহীন শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীন।

গতকাল ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের কেন্দুয়া বাজারে এক আড়ম্বরপূর্ণ ও জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শাহীন ক্যাডেট স্কুল কেন্দুয়া বাজার শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়।

শাহীন ক্যাডেট স্কুল ধনবাড়ী শাখার সহকারী পরিচালক রোকন উজ্জামান এর সঞ্চালনায় মোঃ ওমর ফারুক শাখার পরিচালক, শাহীন স্কুল ধনবাড়ী শাখা এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শাহীন শিক্ষা পরিবার ও শাহীন স্কুল এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীন।
আব্দুল্লাহ আল-মামুনের শাখা পরিচালক কেন্দুয়া বাজার, রোকোন উজ্জামান শাখা পরিচালক কেন্দুয়া বাজার,

শাহীন ক্যাডেট স্কুল ধনবাড়ী শাখা ও কেন্দুয়া বাজার শাখার শিক্ষক এবং শিক্ষিকা সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বছরের ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বই ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

শাহীন ক্যাডেট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও শাহীন শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাছুদুল আমীন শাহীন
এ সময় তার বক্তব্যে বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে নবনির্মিত শাহীন স্কুল কেন্দুয়া শাখার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দেশের সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
তিনি এ সময় সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও নিবেদিতপ্রাণ হয়ে এ শিক্ষাঙ্গনকে একটি আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে রূপান্তরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আদর্শগত শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য স্থানীয় এলাকাবাসীকে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানান।

শাহীন স্কুল ধনবাড়ী শাখার শাখা পরিচালক মোঃ ওমর ফারুক তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন
মনোরম পরিবেশে শাহীন স্কুল কেন্দুয়া শাখার
আধুনিক সুবিধাদিসহ শিশু শ্রেণি থেকে ১০ ম শ্রেণি পর্যন্ত ১৯শ’ ছাত্র-ছাত্রী মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। নবনির্মিত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেশের নিরক্ষরতা দূরীকরণ, দারিদ্র-বিমোচন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা দেশের টেকসই উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হয়েছে।