মুক্তি পাগল বাঙালির কাছে ১৬ ডিসেম্বরের মহত্ত্ব অনেক বেশি। 


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৭, ২০২২, ৫:৩৮ অপরাহ্ন / ১৯৪
মুক্তি পাগল বাঙালির কাছে ১৬ ডিসেম্বরের মহত্ত্ব অনেক বেশি। 
মুক্তি পাগল বাঙালির কাছে ১৬ ডিসেম্বরের মহত্ত্ব অনেক বেশি। 
আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশেষ প্রতিনিধি –
বাংলাদেশের সৃষ্টি ও বাঙালি জাতির জীবনে ঘটে জাওয়া অনেক ঘটনাবহুল ঘটনার পর অবিস্মরণীয় ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর এই দিনেই পৃথিবীর মানচিত্রে আরও একটি নতুন সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয় যার নাম শোনার বাংলাদেশ। যা বাঙালির ৩০ লক্ষের অধিক শহিদের বিনিময়ে ও দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাওয়া আমাদের এই বিজয়।
তাই ১৬ ই ডিসেম্বরের মহত্ব অনেক বেশি মুক্তি পাগল বাঙ্গালীর কাছে। ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর আমরা এই মহান বিজয় পাই। তারপর থেকেই আমরা এই ১৬ ই ডিসেম্বর কে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পেয়ে থাকি, যা বাংলাদেশের ইতিহাস এর গৌরবময় একটি দিন।
মনিরামপুরে মহিলা শিক্ষিকা কতৃক প্রধান শিক্ষক লাঞ্জিতের ঘটনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। 
আব্দুল্লাহ আল মামুন বিশেষ প্রতিনিধি –
গতকাল সকাল ১১ টায় মনিরামপুরের দেলুয়বাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক- কর্মচারীও ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা, এলাকার সুধীজন ও বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধন সমাবেশে  বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আনিচুর রহমান(তজু), সহ-প্রধান শিক্ষক আঃ জলিল, আবু হানিফ, শিক্ষিকা হোসনেয়ারা খাতুন ও উন্মে কুলছুম জানান বিদ্যলয়ের  গ্রন্থগারিক সহ শিক্ষিকা সালেহা খাতুন(লতা) প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সহিত যে আচরন করিয়াছেন তাহার জন্য আমরা মর্মাহত, এটা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ও ভিত্তিহীন আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতবাদ জানাই। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিহাব মাহমুদ ৯ম শ্রেনী রোল- ২, অনন্ত ককর্মকার ১০ম শ্রেনি, শ্রাবনি মন্ডল ৮ম শ্রেনি, তিসা আক্তার ও রিয়া পারভীন ১০ম শ্রেনি তারা  বলে আমাদের হেড স্যারের সহিত লতা ম্যাডাম যে ঘটনা ঘটিয়েছে সেটা সম্পুর্ন ভিত্তিহিন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। উপজেলা মাধ্যিমক শিক্ষা অফিসার বিকাশ চন্দ্র সরকার জানান বিষয়টি আমি শুনেছি কিন্তু আমরা কোনো চিঠি পায়নি। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন রায় জানান আমি ১৩/০৩/২০১৯ইং তারিখে বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অবিভাবক সদস্য, সহ শিক্ষক, পিয়ন ও পরিচালনা পর্ষদের নানা অভিযোগ পেয়েছি। সর্বপরি তাকে তিনবার শো কেস দেওয়া হয়েছে যা তিনি রিসিব করেননি এবং সরকারী বে- সরকারী সহ বিদ্যালয়ের কোনো প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেন না। বর্তমানে তিনি সাময়িক বহিষ্কারে আছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলে আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে  আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।