মাধবপুরে শহরের অটোরিক্সার অবৈধ পার্কিং, যানজট ও জনদুর্ভোগ চরমে।


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১২, ২০২৩, ৫:৪৪ অপরাহ্ন / ৩০২
মাধবপুরে শহরের অটোরিক্সার অবৈধ পার্কিং, যানজট ও জনদুর্ভোগ চরমে।
মাধবপুরে শহরের অটোরিক্সার অবৈধ পার্কিং, যানজট ও জনদুর্ভোগ চরমে।
নাহিদ মিয়া মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি –
হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌর শহরের প্রধান সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার রাস্তায়  অসহায় পথচারী ও সাধারণ মানুষ। এসব অটোরিক্সা  কিবরিয়া স্কয়ার হয়ে বাজারের ভিতরের রাস্তায় অবৈধভাবে পার্কিং করে রাখার ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়ে জনচলাচলে চরম  ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যানবাহনের বেপরোয়া হর্ণের শব্দে অতিষ্ট পথচারীরা। এসব যাণের চালকেরা মেতে থাকে নিজেদের মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতায়।
পৌর শহরের প্রধান রাস্তায় ব্যাটারি চালিত  অটোরিক্সা চালকরা অবৈধ স্টেশন বসিয়ে এসব  যানবাহনের পার্কিং করে যানজটের সৃষ্টি করছে।প্রায় সবগুলো অটোরিক্সায় নেই পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন  নাম্বার প্লেটও। কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করে না এসব চালকেরা। এতে পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। এই কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। শুধু কি তাই! এসব অটোরিক্সার ভাড়ার রেট সম্বলিত  কোন তালিকাও নেই।যার কাছ থেকে যেভাবে পারে সেভাবেই ভাড়া আদায় করে। কিশোর বয়সী থেকে শুরু করে মধ্যবয়স্ক যুবকরা এসব অটোরিক্সা চালিয়ে থাকে। ভুক্তভোগী মানুষের নিরাপত্তা  নিশ্চিত করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বেপরোয়া এসব অটোরিক্সার অবাধ চলাচল বন্ধে প্রশাসন  ব্যবস্থা নিবে বলে আশা করে পৌর শহরের সচেতন মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মানুষ বলেন, বেপরোয়া অটোরিক্সা  পৌরশহরে রাজত্ব  করছে। তাদেরকে কেউ কিছু বললেই উল্টো চড়াও হয়। প্রতিনিয়তই পথচারীসহ পৌরশহরে আগত মানুষের সাথে বাকবিতন্ডা লেগেই থাকে চালকদের। অধিকাংশ চালক কিশোর বয়সী। তারা পৌরশহরে প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে। তাদের ঠেকানোর মতো  কেউ নেই যেন। তারপর আবার ফুটপাত দখল করে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা করছে একদল লোক।
এতে সড়কে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, ভোগান্তিতে পড়ছে পথচারীরা। প্রতিদিন ঘটছে ছোট ছোট দুর্ঘটনাও। মাধবপুর পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মানিকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মোবাইলে এসব নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন জানিয়ে এ প্রতিনিধিকে তার অফিসে যেতে বলেন।
বার্তা প্রেরক
নাহিদ মিয়া
মাধবপুর, (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।
০১৭৫০-০০৪৬৭৫
০১৭৫২-১৮২৪৬৭
তাহিরপুরে ৭০ভাগ ভর্তুকিতে মাড়াই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। 
শওকত হাসান, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শতকরা ৭০ভাগ ভর্তুকিতে কৃষকদের মাঝে চারটি মাড়াই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২২-২৩ মৌসুমের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার চারজন কৃষকের হাতে চারটি মাড়াই মেশিন তুলে দেন তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হাসান উদ-দৌলা। মাড়াই মেশিন পাওয়া কৃষক হলেন- উপজেলার রফিকুল ইসলাম, দিলওয়ার হোসেন, আমিনুদ্দিন, নুরজামাল।
এসময় উপজেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, সাংবাদিক শওকত হাসান সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হাসান উদ-দৌলা বলেন, কৃষকরা স্বল্প মূল্যে ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে মাড়াই মেশিনে পাচ্ছে। এতে তারা সহজে মাড়াই, ঝাড়াই করতে পারবেন। ফলে কৃষকের উৎপাদন খরচ অনেকাংশে কমে যাবে এবং কৃষকের আয় বাড়বে।
শওকত হাসান, সুনামগঞ্জ
০১৭১৭-৯৮৬২৩২
জগন্নাথপুরে বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধারের পর : অস্ত্রবাজ আফজাল গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের একটি গ্রাম থেকে
অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম, বিস্ফোরক পাউডার ও ইলেকট্রনিক
ডিভাইস উদ্ধারের পর এই ঘটনার দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামি অস্ত্রবাজ আফজাল
হোসেন (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আজ মঙ্গলবার ভোরে হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জ উপজেলার দিঘলবাক কাকুরা গ্রাম
থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত রবিবার রাতে আফজালের বাবা আখলাকুর
রহমান ও ছোট ভাই আমজাদুর রহমান (২২)কে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার
করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
জগন্নাথপুর থানা পুলিশ জানায়- আশারকান্দি ইউনিয়নের দিঘলবাক আটঘর গ্রামের
আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে একটি মামলার সমন নিয়ে শুক্রবার জগন্নাথপুর থানা
পুলিশ তার বাড়িতে গেলে আফজল হোসেন পুলিশকে তার ঘরে ঢুকতে বাধা দেয়।
এসময় পুলিশ বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিকস ডিবাইস সাদা পাউডার সার্কিট দেখতে পায়।
এতে সন্দেহ হলে রবিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে, বিস্ফোরক তৈরির
সরঞ্জাম, বিস্ফোরক পাউডার, ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করে।
রাতে আফজাল হোসেনের বাবা আখলাকুর রহমান ভাই আমজাদুর রহমান কে
গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ঘটনার মূলহোতা আফজল হোসেন পলাতক ছিল। ঘটনার দুই
দিন পর অবশেষে আজ ভোরে যৌথ বাহিনী কাকুরা গ্রাম থেক আফজাল কে গ্রেপ্তার
করেছে। এদিকে জগন্নাথপুর থানার উপ পরিদর্শক জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে
বিস্ফোরক আইনে আফজাল হোসেনকে প্রধান করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে
জগন্নাথপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।