বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে টিসিবির মুসুর ডাল ১ হাজার ১৩৬ ডলারে আমদানি করা হয়েছে।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৪, ২০২২, ৫:২৪ অপরাহ্ন / ৩৫০
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে টিসিবির মুসুর ডাল ১ হাজার ১৩৬ ডলারে আমদানি করা হয়েছে।

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে টিসিবির মুসুর ডাল ১ হাজার ১৩৬ ডলারে আমদানি করা হয়েছে।

আঃজলিল, স্টাফ রিপোর্টারঃ–

যশোরের  বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৩২০০ মেট্রিক টন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মুসুরের ডাল আমদানি হয়েছে। প্রতি টন মুসুর ডাল ১ হাজার ১৩৬ ডলারে আমদানি করা হয়েছে। বুধবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে এসব মুসুরের ডাল বেনাপোল বন্দর থেকে খালাস নিতে দেখা যায়। এ ডাল খালাস করতে বেনাপোল কাস্টমস হাউজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছেন কনফিডেন্স ট্রেড এ্যাসোসিয়েট সিএন্ডএফ এজেন্ট। এ সিএন্ডএফ এজেন্টের ম্যানেজার মুর্তজা শরীফ জানান, সরকার ভারত থেকে ৪ হাজার ২০০ মেট্রিক টন মুসুর ডাল বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি করেছে। যার মধ্যে ৩ হাজার ২০০ টন ডাল বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছেছে। পরে বাকি ১ হাজার টন মুসুরের ডাল আসবে।

তিনি আরও জানান, এ মুসুরের ডাল আমদানি করতে প্রতিকেজি খরচ পড়ছে ১২৫ টাকা। এ বন্দর থেকে মুসুরের ডাল দ্রুত খালস করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল জানান, ভারত থেকে ৩ হাজার ২০০ মেট্রিক টন টিসিবি’র মুসুরের ডাল আমদানি হয়েছে। বন্দর থেকে দ্রুত এসব মুসুরের ডাল ছাড় হয়ে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সেজন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।

প্রেরক,

আঃজলিল

কেশবপুরে পৈতৃক সম্পত্তি অংশ পেতে দুই পিতৃহীন শিশু কন্যার আকুতি। 
রনি হোসেন,কেশবপুর –
কেশবপুরে পৈতৃক সম্পত্তির অংশ পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে দুইপিতৃহীন কন্যা শিশু।
কেশবপুর উপজেলা সহকারী (ভূমি) অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ  সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌরসভার বিজয় কৃষ্ণ দাসের পূত্র গ্যাব্রিয়েল রনি বিশ্বাস গত বছর ১৮ এপ্রিল টাকা ও জমি নিয়ে বিরোধে আত্মহত্যা করে।  গ্যাব্রিয়েল রনি বিশ্বাসের মৃত্যুর ১৯ দিনের মধ্যে তার স্ত্রী রিয়া বিশ্বাস ও তার শিশু কন্যা জারা বিশ্বাস এবং মারিয়া বিশ্বাসকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। নিরুপায় হয়ে রিয়া বিশ্বাস তার দুই কন্যাকে নিয়ে মনিরামপুর উপজেলার জয়পুরে তার পিত্রালয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন। সেখানে রিয়া বিশ্বাস দুই কন্যাকে নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছে।  এদিকে দুই কন্যার পৈত্রিক সম্পত্তির অংশ ও জমি ক্রয়ের বায়না পত্রের ৬৪ হাজার টাকা ফেরত পেতে রিয়া বিশ্বাস গতকাল সকালে কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।