বিশ্বকাপ খেলা দেখে আর বাড়ি ফেরা হলো না বিজিতের।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৭, ২০২২, ৫:০৮ অপরাহ্ন / ৩৯১
বিশ্বকাপ খেলা দেখে আর বাড়ি ফেরা হলো না বিজিতের।
বিশ্বকাপ খেলা দেখে আর বাড়ি ফেরা হলো না বিজিতের।
শাহরিয়ার শাকিল, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি –
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বিজিত দাস (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের পাবনীয়া গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত বিজিত উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের পাবনীয়া গ্রামের নিখিল দাসের ছেলে।
থানাপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজিত দাস সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরেননি। মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে স্বজনরা বাড়ির পাশের একটি টিলায় আকাশি গাছের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে বিজিতকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
শাহবাজপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. মাসুক মিয়া  সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।
শাহরিয়ার শাকিল
বড়লেখা মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মোবাইলঃ 01887-880393
“মাধবপুরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক হয়েও করছেন নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ।”
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি –
মাধবপুরে নিয়ম বহির্ভুতভাবে একাধিক এমপিওভুক্ত স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষক একইসাথে নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টান নীতিমালা ও এমপিও কাঠামো ২০১৮ এর ১১.১০(ক) ও ২০২০ সালের সংশোধিত বিধিমালার ১১.১৭ বিধিত বলা আছে বেতন ভাতাদির সরকারী অংশের জন্য আবেনকারী শিক্ষক কর্মচারী একইসংগে  একাধিক পদে চাকুরীতে কিংবা কোনো আর্থিক লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।তদন্তে প্রমানিত হলে সংস্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমপিও বাতিল ও শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে উপরোক্ত বিধিতে।
মাধবপুর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে  ৬ টি ইউনিয়নে ও পৌরসভার ১টি ওয়ার্ডে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসাবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এমন ৭ জন  সম্পর্কে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।এদের মধ্যে ৫ জন এমপিওভুক্ত বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।অপরজন ২ জন এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।
বুল্লা ইউনিয়নের বানেশ্বর হাইস্কুলের শিক্ষক রামপুর গ্রামের বাসিন্দা কাজী আজিজুর রহমান বুল্লা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।আজিজুর রহমানের ইনডেক্স নম্বর এস-২৬৬৩২৪, বর্তমান বেসিক ২৮ হাজার ১০০ টাকা।এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসাবে তিনি নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করতে পারেন কি না এমন প্রশ্নে আজিজুর রহমান জানান,এ বিষয়টি জেলা রেজিস্ট্রারের নলেজে আছে।এটা কোনো সমস্যা না।
মাধবপুর দরগাবাড়ি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও মাধবপুর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিষ্ট্রার  হোসেন জানান, সেলিমের ইনডেক্স নম্বর এস-৩২৩৩৩১ এবং বেসিক ২৪ হাজার ৫০০। বহরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিষ্ট্রারের দায়িত্ব পালন করছেন তালেবপুর আহসানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ জিয়া উদ্দিন।জিয়া উদ্দিনের এমপিওভুক্তির ইনডেক্স নম্বর এস-২৬০৭৯৪ এবং বর্তমান বেসিক ২৮ হাজার ১০০ টাকা।জিয়া উদ্দিন জানান, অনেকেই করছে।আমিও করছি।
বাঘাসুরা ইউনিয়নে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করছেন ডঃ মহিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফয়েজ উদ্দিন।তার এমপিওভুক্তির ইনডেক্স নম্বর এস-১০১৩৮৯৮ এবং বর্তমান বেসিক বেতন ২৩ হাজার ১০০ টাকা । তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়ায় কোনো আইনগত বাঁধা নেই।
মাধবপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জুনায়েদ আহমেদ লস্কর ছাতিয়াইন ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করছেন।শিক্ষক হিসাবে তার এমপিওভুক্তির ইনডেক্স নম্বর এস-১০৩৬১২২ এবং বর্তমান বেসিক ২৮ হাজার ১০০ টাকা। জগদীশপুর ইউনিয়নে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ইটাখোলা সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক নুরুল ইসলাম।নুরুল ইসলামের এমপিও ইনডেক্স  নম্বর এস-০৩৪১৭২  এবং বেসিক ১১ হাজার ২০০ টাকা।নুরুল ইসলাম এ বিষয়ে কথা বলতে রাজী হননি।
আদাঐর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার অলিউর রহমান মাধবপুর প্রেমদাময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।অলিউর রহমান খানের এমপিও ইনডেক্স নম্বর এস-৩০৫৪৬৯   এবং বর্তমান বেসিক  ২৯ হাজার ৩৭০টাকা।অলিউর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নিকাহ রেজিস্ট্রারদের দাবি বিবাহ নিবন্ধনের কাজ কোনো সরকারি চাকুরী নয় তাই এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।সারাদেশে ১ হাজার ৭০০ এমপিওভুক্ত শিক্ষক একইসংগে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন বলেও তারা জানান।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার (ডিআর) মিজানুর রহমান জানান, ‘এ বিষয়টি দেখার এখতিয়ার আইন মন্ত্রনালয়ের।আমাদের আসলে কিছুই করার নেই এক্ষেত্রে।
বার্তা প্রেরক
নাহিদ মিয়া
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।
০১৭৫২-১৮২৪৬৭
০১৭৫০-০০৪৬৭৫