বান্দরবানে দুই দিন ব্যাপি সাহিত্য মেলার উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৩, ৮:১৬ অপরাহ্ন / ৩৫৬
বান্দরবানে দুই দিন ব্যাপি সাহিত্য মেলার উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।
বান্দরবানে দুই দিন ব্যাপি সাহিত্য মেলার উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।
আবুবকর ছিদ্দীক বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:
বান্দরবানে শুরু হয়েছে ২ দি ব্যাপি “জেলা সাহিত্য মেলা -২০২৩” বাংলা একাডেমির সমন্বয়ে জেলা পর্যায়ে সাহিত্যিকদের সৃষ্ঠিকর্ম জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের পৃষ্টপোষকতায় বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় সিাহিত্য মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় জেলা প্রশাসন বান্দরবান পার্বত্য জেলার সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় “জেলা সাহিত্য মেলা -২০২৩” অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
১৬ই ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার)বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে বেলুন ও পায়ড়া উড়িয়ে ২ দিন ব্যাপি সাহিত্য মেলার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। পরে সম্প্রীতির মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভিন তিরীজি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মোঃ আসাদুজ্জামান,উপসচিব,সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রনালয়,বান্দরবান পুলিশ সুপার, তারিকুল ইসলাম পিপিএম, প্রধান বক্তা,মোঃ ইমরুল ইউসুফ,উপ-পরিচালক,বাংলা একাডেমি।আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুরাইয়া আক্তার সুইটি, জেলা পরিষদের সদস্য সি ইয়াং ম্রো। বিকেলে সম্প্রিতির মঞ্চে প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে জেলার কথা সাহিত্য,নাটক ও সংস্কৃতির উপর প্রবন্ধ উপস্থাপনে অংশ নেন কবি,লেখক,গবেষক ও সম্পাদক হাফিজ রশিদ খান।
জেলার ১১ টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে  আলোচনা সভার মূল আকর্শন ছিলো বিশিষ্ট গবেষক,কথাসাহিত্যিক ও বাচিক শিল্পী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এর পরিচালক ড.আজাদ বুলবুল এর জ্ঞানগভীর আলোচনা। আলোচনা সভা শেষে দুই দিন ব্যাপি সাহিত্য মেলা  উপলক্ষে বিকেল ৫ টায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের উপস্থাপনায়  মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আবুবকর ছিদ্দীক
বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি
ফোন: 01625-173276
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের নবীন বরণ-বিদায় ও সাধারণ শিক্ষা সফর-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানটি পূর্বের ন্যায় এবারো চবি বোটানিক্যাল গার্ডেনে অনুষ্ঠানের হয়।সবার সহযোগিতায় অনেক জাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠানটির সূচনা ও শেষ হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর ড.শিরিন আখতার, মাননীয় উপাচার্য(চবি)ব্যস্ত থাকায় অনুষ্ঠানে আসতে পারে নি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর বেনু কুমার দে,মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)চবি।আরো উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড.মো:তৌহিদ হোসেন,সম্মানিত ডিন,জীববিজ্ঞান অনুষদ,চবি।
সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন প্রফেসর ড.মুহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ,উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ,চবি।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রেখেছেন প্রফেসর ড.মোশাররফ হোসেন (স্যার),চবি।”বসন্তের “পড়ন্ত দুপরে সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন।বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশাধিকার সীমিত করার জন্য মাননীয় উপ-উপাচার্যকে অনুরোধ করেন।বোটানিক্যাল গার্ডেনের ইনচার্জ হিসেবে গার্ডেনের সৌন্দর্য ঠিক রাখতে কাজ করতেছেন বলে জানিয়েছেন।
তারপর প্রফেসর ড.শেখ বখতিয়ার উদ্দীন (স্যার) ভাষার মাসে সকল ভাষা শহীদদের স্মরণ  করে তার বক্তৃতা শুরু করেন।তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে বলেন- ভালো মানুষ হও, জীবনকে মানব কল্যাণের জন্য ব্যয় করো।
যে যার যায়গায় আছে সেখান থেকেই সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।হতাশ না হয়ে সবাইকে চেষ্টা করতে বলেন।
চেষ্টা করলে কোনো না কোনো জায়গায় যাবে,সবার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
এর পর মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.বেনু কুমার শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাখেন নবীন ও বিদায় শিক্ষার্থীদের মাঝে। তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফ্রাস্ট্রেটেড না হতে বলেন।
তিনি বলেন তোমরা আজ থেকে বোটানি ডিপার্টমেন্টের এলামনাই, চবির এলামনাই,তোমাদের বিদায় দিচ্ছি না।বোটানি ডিপার্টমেন্ট থেকে পাস করে কেউ বেকার নেই,চিন্তার কোনো কারন নেই।তিনি আরো বলেন আমাদের ক্যাম্পাস অনেক ভালো,অনেকে জিজ্ঞেস করে চবি ক্যাম্পাসে অনেক সাপ,আমি বলি কতগুলো মানুষকে কামর দিছে?কত মানুষ মারা গেছে? সাপও প্রকৃতির বন্ধু। তিনি আরো বলেন দিনে এমন কিছু করিও না যেটা রাতে কষ্ট দিবে আবার রাতে এমন কিছু করবে না যেটা দিনে কষ্ট দিবে,(বানীতে মা)।
আমার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়া, বাট হতে পারি নি।ক্যামিষ্ট্রিকে ভয় হতো বাট এখানে পড়ে ভালোই লাগছে।তিনি শিক্ষার্থীদের নিজেকে ভালো মানুষ ও দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য  বলেন।খারাপ হওয়ার অনেক পথ আছে, ভালো হওয়ার একটি পথ পড়াশোনা করা।
তারপর সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড.হারুন-অর-রশিদ(চেয়ারম্যান, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ) ভাষা শহীদদের স্মরণ ও বোটানি ডিপার্টমেন্টের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ  করে আলোচনা শুরু করেন।তিনি শিক্ষার্থীদের বেকুপ না হওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানের সহযোগিতার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।আগামীর পথচলা সুন্দর হোক এই বলে তাঁর তার বক্তব্যের মাধ্যমেই অনুষ্ঠানের প্রথম অংশ শেষ হয়।