সরকারের তিন মন্ত্রী সাথে নুরুল ইসলাম নজরুলের সৌজন্য স্বাক্ষাৎ হয়েছে।


প্রকাশের সময় : মার্চ ৯, ২০২৩, ৭:৩৮ অপরাহ্ন / ৩০০
সরকারের তিন মন্ত্রী সাথে নুরুল ইসলাম নজরুলের সৌজন্য স্বাক্ষাৎ হয়েছে।
সরকারের তিন মন্ত্রী সাথে নুরুল ইসলাম নজরুলের সৌজন্য স্বাক্ষাৎ হয়েছে।
কাউছার মাহমুদ দিদার –
সন্দ্বীপের গর্বিত সন্তান বিশিষ্ট দানবীর, সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ নুরুল ইসলাম নজরুল। তিনি যুক্তরাষ্ট ব্রুকলীন আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সেই সুবাদে ওনার সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে রয়েছে সু-মধুর রাজনৈতিক ও ব্যাক্তিগত সখ্যতা।প্রবাসে সকল নেতৃবৃন্দের সাথে ওনার প্রায়শ দেখা স্বাক্ষাৎ ও অন্তরঙ্গ আলাপ হয়ে থাকলেও নিজের মাতৃভূমিতে এসে সৌজন্য স্বাক্ষাতের আলাদা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন । তারই ধারাবাহিকতায় তিনি গত একমাস পুর্বে দেশে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ  বাংলাদেশের নীতিনির্ধারনী পর্যায়ের অনেকের সাথে দেখা করেছেন। তুলে ধরেছেন সন্দ্বীপের উন্নয়ন, সমস্যা, সম্ভাবনা ও উত্তোরনের উপায়ও।সর্বশেষ গতকাল তিনি দেখা করলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কাদের,এমপি কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। উক্ত তিনমন্ত্রীর নিজস্ব কার্যালয়ে গিয়ে তিনি এ সৌজন্য স্বাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন।
ওনার সৌজন্য স্বাক্ষাতে ওনি তুলে ধরেছেন সন্দ্বীপের উন্নয়নের রুপকার সংসদ সদস্য এমপি মাহফুজুর রহমান মিতার নেতৃত্বে সন্দ্বীপে ব্যাপক উন্নয়নের কথা। সাথে সাথে অনুরোধ রেখেছেন  সন্দ্বীপের সংসদীয় আসনের আগামীর পথ সুগম ও মসৃন করতে এমপি মিতার নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি ওনাদের সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য। তিনি অকপটে বলেছেন এমপি মিতার হাতকে শক্তিশালী করতে পারলে সন্দ্বীপের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন থাকবে এবং ক্রমে ক্রমে এটি আওয়ামীলীগের শক্তিশালী ঘাঁটি ও স্থায়ী আসনে পরিনত হবে।
বান্দরবানে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়েছে।
আবুবকর ছিদ্দীক বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:
“নারীমুক্তির প্রধান বাধা যদি হয় পুরুষ, তবে নারীমুক্তির পথপ্রদর্শকও পুরুষ।। আমাদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নারী এবং পুরুষের সমান অবদান।” বাণী— প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা;
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পরে বঙ্গবন্ধু মুক্ত মঞ্চে শেষ হয় “” ৮ ই মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’। অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকসহ উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে নারীর সমান অংশীদারি এবং সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সরকারি-বেসরকারিভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে।
এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য’। বাংলাদেশে নারীসমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, নারী অধিকার রক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতার উন্নয়নের জন্য দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম।
বিসিএস উইমেন নেটওয়ার্ক, বান্দরবান জেলা শাখার আয়োজনে এবং বান্দরবান সদর হাসপাতাল ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বান্দরবান ইউনিট এর সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে হেলথ ক্যাম্পেইন এর আয়োজন করা হয়। উক্ত কর্মসূচিতে মায়েদের জরায়ু মুখের ক্যান্সার নির্ণয়ের প্রাথমিক পরীক্ষা, ব্লাড সুগার, ব্লাড প্রেশার এবং রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়।
নারীর ক্ষমতায়নে বান্দরবান বাংলাদেশের একটি প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। এ জেলার সাধারণ ও ফৌজদারি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ বাহিনী, আনসারবাহিনী সবখানেই – ‘জেলাপ্রশাসক’ পদে আসীন রয়েছেন নারী। এছাড়াও দুইজন অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার(ভূমি), গণপূর্ত বিভাগ এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে নারী কর্মকর্তারা স্বমহিমায় দায়িত্বপালন করে যাচ্ছেন। বর্তমানে ৬৪ জেলার মধ্যে ১০টি ডিসি নারী। অন্যদিকে, ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে ১৩৯ টি আছেন নারী কর্মকর্তারা।
আজকের অনেক উপায়ে নারীরা নারীদের সমর্থন করে উদযাপন করে আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সম্মান জানায়। প্রতিটি” অক্ষরের ভিগনেটগুলি এমন অনেকগুলি ক্ষেত্রের মধ্যে কয়েকটি হাইলাইট করে যেখানে সারা বিশ্বের মহিলারা একে অপরের উন্নতি করতে এবং একে অপরের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে একে অপরকে সমর্থন করে। প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা নারীরা যারা সর্বত্র নারীদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে অগ্রগতির পক্ষে কথা বলেন। যে মহিলারা তাদের অধিকারের জন্য অন্বেষণ করতে, শিখতে এবং সমাবেশ করতে একত্রিত হন। নারী যারা জীবনের সর্বস্তরের মানুষের প্রাথমিক যত্নশীল। যে মহিলারা মাতৃত্বে একে অপরের জন্য সমালোচনামূলক সহায়তা ব্যবস্থা।
বিশ্বব্যাপী নারীদের সম্মানে যারা জীবনের সকল ক্ষেত্রে একে অপরকে সমর্থন করছেন — শুভ আন্তর্জাতিক নারী দিবস!