বাগেরহাট জেলার সরকারী ৩০৮টি খালের অধিকাংশই প্রভাবশালীদের দখলে।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৪, ২০২২, ৫:০৭ অপরাহ্ন / ৫৫৬
বাগেরহাট জেলার সরকারী ৩০৮টি খালের অধিকাংশই প্রভাবশালীদের দখলে।
বাগেরহাট জেলার সরকারী ৩০৮টি খালের অধিকাংশই প্রভাবশালীদের দখলে।
অতনু চৌধুরী রাজু, বাগেরহাট জেলা ক্রাইম রিপোর্টারঃ
বাগেরহাট জেলার সরকারী ৩০৮টি খালের অধিকাংশই প্রভাবশালীদের দখলে। বারবার প্রশাসনের কাছে দখলমুক্ত করার আবেদন করলেও সেগুলো কোন এক অলৌকিক ক্ষমতায় দখলমুক্ত হয় না। কিছু কিছু দখলমুক্ত হলেও সেগুলো দুই-চারদিন পর আবার পুনরায় দখল হয়। বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর)  সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ্যাক্টিভিস্টা বাগেরহাটের আয়োজনে বাধঁন মানব উন্নয়ন সংস্থা ও একশন এইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় অভিযোজন কৌশল নিরুপন শীর্ষক সংলাপে বক্তারা এবাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ইয়ুথ ক্লাইমেট এ্যাকশন নেটওয়ার্ক এর আহ্বায়ক সাংবাদিক বাবুল সরদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান। এ সময় অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভিন, বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি নিহার রঞ্জন সাহা, বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মঞ্জুরুল হাসান মিলন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এর সহকারী প্রকৌশলী মো. মোশারেফ হোসেন, দিপ্ত টেলিভিশনের বাগেরহাট প্রতিনিধি মামুন আহমেদ, সমকাল এর জেলা প্রতিনিধি তানজিম আহমেদ, বাঁধন এফোরটি প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী মুশফিকুল ইসলাম রিতু, প্রজেক্ট অফিসার সানি জোবায়ের। এছাড়া বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার বিভিন্ন ইয়ুথ গ্রপের সদস্যবৃন্দ, সুশিল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিকসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, বাগেরহাটে বিভিন্ন সরকারী খাল কিছু অসাধু গোষ্টী দখল ও বাঁধের মাধ্যমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে উপকূলীয় অঞ্চলে তথা বাগেরহাটে লবন পানি প্রবেশের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের চাষিরা চাষাবাদের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি মানুষসৃষ্ট কারনে সরকারী খালগুলোতে বাঁধ দিয়ে লবন পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করে প্রান্তিক চাষিদের জীবন জীবিকা হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। সরকার বিভিন্ন সময় খালগুলো অবমুক্ত এবং পুনঃখনন করলেও তা আবার দখল হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রান্তিক চাষিদের জীবিকা নিরাপত্তা হারাচ্ছে। সকলে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এর সমাধান হবে বলে সংলাপে সবাই মত দেন।
পরে বাগেরহাটে দখলকৃত বিভিন্ন খালের তালিকা এবং এগুলো দখলমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপী প্রদান করা হয়েছে।
খুলনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হলেন ফরিদ রায়হান,।ফারহানা ও মফিজ।
মোঃ মিজানুর রহমান সটাফ রিপোর্টার খুলনা-
খুলনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন ৩ জন সদস্য। এর মধ্যে প্যানেল চেয়ারম্যান-১ পদে চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ, প্যানেল চেয়ারম্যান-২ ফারহানা নাজনীন এবং প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ এম ডি মফিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার জেলা পরিষদের চোরম্যান শেখ হারুনুর রশীদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ ডিসেম্বর খুলনা জেলা পরিষদের সাধারণ সভায় অস্থায়ী চেয়ারম্যান প্যানেল নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল ওই ৩ জনকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
র‍্যাব-৬ ও কোস্টগার্ড এর যৌথ অভিযানের সুন্দরবন থেকে অপহরণকৃত ১১ জেলেকে রেখে পালিয়ে গেল দস্যুরা।
মেহেদি হাসান নয়ন, বাগেরহাট –
গত ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবনের শরনখোলা রেঞ্জে মাছ ধরতে যান কিছু জেলে। শিলা নদীতে হরিণটানা এলাকায় মাছ ধরতে গেলে ১১ জেলেকে কিছু জলদস্যু তাদেরকে আটকে রাখে। এবং মুক্তি পান হিসেবে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকার জন্য অপহরণকারী জেলেরা তাদের পরিবারের কাছে সাথে যোগাযোগ করলে তাদের পরিবারের মাধ্যমে বিষয়টি র‍্যাব-৬ এর নজরে আসে। গভীর রাতেই র‍্যাব-৬ এবং কোস্ট গার্ড যৌথ অভিযান শুরু করে। অভিযানের বিষয়টি জলদস্যুরা বুঝতে পেরে ১১ জেলাকে রেখেই তড়িঘড়ি করে পালিয়ে যায়। পরে জেলেরা মুক্ত হয়ে তাদের বাড়িতে ফিরে যায়। আপন অপহরণ কৃতদের মধ্যে রয়েছে বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা কাসিমপুর গ্রামের সোহেল মল্লিক (২৮), মোংলা উপজেলার বাজিকর খন্ডের আসাদুল শেখ (৩৫) ও রামপাল উপজেলার বেতকাঠা গ্রামের হানিফ হাওলাদার (৪৫), শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের সালাম হাওলাদার (৬৫), ইমাম খান (২৫), সোলেমান হাওলাদার (৩০) ও ইউসুফ হাওলাদার (৩৫) হানিফ হাওলাদার (৪৮), সোহেল মল্লিক (২৮) এবং আসাদুল শেখ (৩২)। এই তিনজনের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলায়। এ বিষয়ে অপহরণকৃত মুক্ত হওয়া জেলে আসাদুল শেখ বলেন,গত ১৫ই ডিসেম্বর রাত তিনটার দিকে জলদস্যুরা আমাদেরকে অপহরণ করে। অপহরণ করার পর আমাদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়। এবং আমাদেরকে অনেক মারধর করে। পরে একুশে ডিসেম্বর গভীর রাতে র‍্যাব ও কোস্টগার্ড অভিযানের কথা জলদস্যুরা যেকোনোভাবে জানতে পারে , তারা তড়িঘড়ি করে আমাদের রেখেই পালিয়ে যায়। পরে ফরেস্টের সহযোগিতায় বাড়ি ফিরি আমরা।
অভিযান পরিচালনাকারী র‍্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা পরিবারের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ,গতকাল গভীর রাতে র‍্যাব-৬ ও কোস্ট গার্ড অভিযান পরিচালনা করি। তবে অভিযানের বিষয়টি জলদস্যুরা যে কোন মাধ্যমে জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে অপহরণকৃত জেলেদের রেখেই পালিয়ে যায়। বর্তমানে সকলেই তাদের পরিবারের হেফাজতে নিরাপদেই আছেন।
খুলনা নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে সরকার অনুমোদিত ন্যায্য মূল্যে TCB এর পন্য এম রহমান কনস্ট্রশন পরিচালনায় খাদ্যদ্রব্য বিতরণ প্রদর্শন।
মোঃ মিজানুর রহমান সটাফ রিপোর্টার খুলনা –
খুলনা নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের স্থানে সরকার অনুমোদিত ন্যায্য মূল্যে TCB   এর পন্য এম রহমান কনস্ট্রশন পরিচালনায়   খাদ্যদ্রব্য বিতরণ প্রদর্শন  করেন ২৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবুল সরদার বাদল। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ ,আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার অসহায় নারী-পুরুষ। আরো উপস্থিত ছিলেন রাজীব, পারভেজ ,শামীম ,আলমগীর ,শানু, মিজান প্রমুখ।