“বরিশালে ভোলা-পটুয়াখালী থেকে ট্রাক বোঝাই করে সকড় পথে পাচার হচ্ছে ঝাটকা”


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৫, ২০২২, ৬:৩২ অপরাহ্ন / ৪৮৬
“বরিশালে ভোলা-পটুয়াখালী থেকে ট্রাক বোঝাই করে সকড় পথে পাচার হচ্ছে ঝাটকা”

“বরিশালে ভোলা-পটুয়াখালী থেকে ট্রাক বোঝাই করে সকড় পথে পাচার হচ্ছে ঝাটকা”
রমজান আহম্মেদ (রঞ্জু), বরিশাল ব্যুরো চীফ –
বরিশাল: সদর উপজেলার লাহারহাট ফেরী ও লেবুখালী ফেরী এবং চরমোনাই বুখাইনগর
বাজার আড়ৎদারের নিকট হইতে হয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক দিয়ে ঝাটকা
পাচারের প্রধান রুট হিসেবে পরিনত হয়েছে। ভোলার বোরহানউদ্দিন সিরাজ, নিজার
মেম্বার, সেলিম সহ শত শত মৎস আড়ৎদাররা লাহারহাট ফেরীতে ট্রাকে ট্রাকে
ঝাটকা পাচার করছেন। মৎস করর্মকর্তা, কোষ্টগার্ড, পুলিশ ও র‌্যাবের প্রতক্ষ্য
এবং পরোক্ষ সহায়তায় প্রতি রাতে এ রুটি দিয়ে শত শত মন জাটকা পাচার হচ্ছে। এই
সড়কটি এখন নিরাপদ  জাটকা পাচার রুট হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রায়
সময় এই রুটে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে স্থানীয়রা জাটকার ট্রাক আটক করে
মৎস্য কর্মকর্তা, থানা পুলিশের সাহায্য চাচ্ছেন। ট্রাক আটক করলেই বাজিন্য হয়
লাখ লাখ টাকা। এছাড়াও বরিশাল সদরের তালতলী মাছবাজারের সকল আড়তদার এই
পাচারের সাথে জড়িত। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেত, বাঘরঝা এলাকার দেলোয়ার
ওরফে জাটকা দেলোয়ারের মাধ্যমে এ জাটকা আনে তালতলী বাজারের আড়ৎদাররা।
জেলা মৎস্য কর্মকর্মকর্তা বিমল চন্দ্র মজুমদার, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য
কর্মকর্তা, কোষ্টগার্ড এর মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা দিয়ে জাটকা নিধন করে দেলোয়ার
ওরফে জাটকা দেলোয়ার। সে প্রতিদিন বাঘরঝা ও ভাষানচরের নদীতে জাটকা শিকারের
জন্য কয়েকটি জাল ফেলে নদীতে। রাত গভীর হলে জালউঠানো শুরু করে। রাত গভীর
হওয়ার পরে ট্রয়লারে শত শত মত জাটকা চড়বাড়িয়া তালতলী বাজার সহ পাশের সুবিধা
জনক এলাকায় জড়ো করে। পরে তালতলী বাজারের মাছের আড়তদার মিরাজ, কালু, নাসির
মোল্লা, সাকিন, নাইম সহ প্রায় সকল আড়তদাররা জাটকা দেশের বিভিন্ন স্থানে
পাচার শুরু করে। তাদের এ পাচার কার্যে কখনও কেউ বাধা হয়ে দাড়ায় না। কারন সবাই
নানা রকমের সুযোগ সুবিধা নিয়ে চুপ থাকে। অভিযোগ রয়েছে পুলিশ, কোষ্টগার্ড সহ
সংশ্লিষ্টদের কাছে জাটকা পাচারের সময় অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার মিলছে না।
কারন সংশ্লিষ্টরা খবর সাথে সাথে পাচারকারীদের কাছে পৌছে দেয়। অতপর:
পাচারকারীরা জাটকা নিয়ে নিরাপদ স্থাণে লুকিয়ে পড়ে। নির্ভরযোগ্য সুত্র আরো
জানিয়েছেন, তালতলী বাজারের সকল আড়তদাররা কাউনিয়া থানার সকল পুলিশের সাথে
সুবিধা দিয়ে সখ্যতা গড়েছেন। জাটকা পাচারের অভিযোগ পেলে তারা সংশ্লিষ্টদের
জানিয়ে দেয় সুবিধা নেয়া পুলিশ সদস্যরা। নাম প্রকান না করার শর্তে একাধিক জাটকা
পাচারকারীরা জানিয়েছেন, কখনও জাটকা শিকার ও পাচার বন্ধ করা যাবে না। কারন
জাটকা শিকার ও পাচার করে সংশ্লিষ্টরা প্রচুর টাকার মালিক হয়েছে। সেই টাকার কিছু
অংশ দিয়ে সকল মহলকে ম্যনেজ করা হয় সহজেই। মিডিয়ায় জাটকা শিকার ও

বানিজ্যের খবর এলে সাময়িক ভাবে দুই একদিন বন্ধ থাকবে। কিন্তু স্থায়ী ভাবে বন্ধ
করা যাবে।
মোবা: 01620849601
তারিখ: 4/12/22

“চুরির হিড়িক স্বরূপকাঠি উপজেলার মধ্যে  বাদ যাচ্ছে না গুয়ারেখা ইউনিয়ন পরিষদও।”

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি –
ডিজিটাল যুগে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে সর্বত্র। আর সেই নমুনা পড়েছে ডিজিটাল চুরির নব নব কৌশল। বর্তমান সময়ে বাদ যায়নি ডিজিটাল চুরির ঘটনা থেকে। চলতি সময়ে দারুণ প্রযুক্তি নিয়ে অভিনব কৌশল দিয়ে একের পর এক ইউনিয়ন পরিষদের তালা ভেঙে চুরি করার মিশনে রয়েছে চোর চক্ররা।প্রশাসনের কড়া নজরদারিকে ফাঁকি দিয়ে স্বরূপকাঠি উপজেলার মধ্যে যত্রতত্র ভাবে চুরির হিড়িক পড়েছে।আর সেই সূত্র ধরেই বাদ যাচ্ছে না বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসাবাড়ি সহ বিভিন্ন বাজারের দোকানপার। পাশাপাশি চোর চক্রের নজর পড়েছে স্বরূপকাঠি উপজেলার মধ্যে বহু ইউনিয়ন পরিষদের অফিস কার্যালয় সহ কম্পিউটার রুম। চোর চক্রের মিশন  সফল করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে এলাকার বহু বিপদগামী লোকজনও। নাম না প্রকাশের শর্তে গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, স্ব স্ব পরিষদের চুরির পিছনে স্থানীয় একটি শক্তিশালি সিন্ডিকেটও রয়েছে বলে জানান। আর সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গত শনিবার স্বরূপকাঠি উপজেলার মধ্যে ৭নং গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভবনে চুরি সংঘটিত হয়।স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, রাত আনুমানিক তিনটার পর পরই চুরি সংঘটিত হয়। স্থানীয় সূত্র আরও জানায় গত কয়েক বছর ধরে আমাদের গুয়ারেখা ইউনিয়নের মধ্যে চুরি কিংবা ছিনতাই বেড়েই চলেছে। ইউনিয়ন পরিষদের সূত্রে জানা যায় চোর চক্রের সদস্যরা বেশকিছু মূল্যবান জিনিস পত্র নিয়ে যায়। তবে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবগত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে গুয়ারেখা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ রব সিকদার গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের পরিষদের মত গত মাসে আটঘর কুডিয়ানা ইউনিয়ন পরিষদের তালা ভেঙে একই কায়দায় চুরি হয়। গণ মাধ্যম কর্মীদের আর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অকপটে, চোর চক্রের সঙ্গে স্থানীয় কিছু বিপদ গামী লোকজনের সক্রিয়তা থাকতে পারে। তবে স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা আবির মোঃ হোসেন জেলার গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের কড়া নজরদারি থাকা সত্বেও কিছু কিছু এলাকায় চুরি সংঘটিত হয়।আসলে জনবল সংকট থাকায় আমরা বলিষ্ঠ ভূমিকা নিতে সক্ষম হচ্ছি না।তবে চলতি সময়ে আমরা আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি। অবশ্য স্থানীয় লোকজনের সার্বিক সহযোগিতা থাকা দরকার।