বরিশালে ভোলা-পটুয়াখালী থেকে ট্রাক বোঝাই করে সড়ক পথে পাচার হচ্ছে অবৈধ ঝাটকা ইলিশ।


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৯, ২০২৩, ৭:২১ অপরাহ্ন / ৩৭৮
বরিশালে ভোলা-পটুয়াখালী থেকে ট্রাক বোঝাই করে সড়ক পথে পাচার হচ্ছে  অবৈধ ঝাটকা ইলিশ।

বরিশালে ভোলা-পটুয়াখালী থেকে ট্রাক বোঝাই করে সড়ক পথে পাচার হচ্ছে

অবৈধ ঝাটকা ইলিশ।

রমজান আহম্মেদ (রঞ্জু), বরিশাল ব্যুরো চীফ –
বরিশাল: সদর উপজেলার লাহারহাট ফেরী ও লেবুখালী ফেরী এবং চরমোনাই
বুখাইনগর বাজার আড়ৎদারের নিকট হইতে হয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক
দিয়ে ঝাটকা পাচারের প্রধান রুট হিসেবে পরিনত হয়েছে। ভোলোর বোরহানউদ্দিন
সিরাজ, নিজার মেম্বার, সেলিম সহ শত শত মৎস আড়ৎদাররা লাহারহাট
ফেরীতে ট্রাকে ট্রাকে ঝাটকা পাচার করছেন। মৎস করর্মকর্তা, কোষ্টগার্ড,
পুলিশ ও র‌্যাবের প্রতক্ষ্য এবং পরোক্ষ সহায়তায় প্রতি রাতে এ রুটি দিয়ে শত
শত মন জাটকা পাচার হচ্ছে। এই সড়কটি এখন নিরাপদ নিরাপদ জাটকা পাচার রুট
হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রায় সময় এই রুটে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে
স্থানীয়রা জাটকার ট্রাক আটক করে মৎস্য কর্মকর্তা, থানা পুলিশের সাহায্য
চাচ্ছেন। ট্রাক আটক করলেই বাজিন্য হয় লাখ লাখ টাকা। এছাড়াও বরিশাল
সদরের তালতলী মাছবাজারের সকল আড়তদার এই পাচারের সাথে জড়িত।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেত, বাঘরঝা এলাকার দেলোয়ার ওরফে জাটকা
দেলোয়ারের মাধ্যমে এ জাটকা আনে তালতলী বাজারের আড়ৎদাররা। জেলা
মৎস্য কর্মকর্মকর্তা বিমল চন্দ্র মজুমদার, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য
কর্মকর্তা, কোষ্টগার্ড এবং নৌ ওসি আব্দুল জলিল এক্সিডেন্ট হওয়ার পূর্বে
মেট্রোপলিন হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছেন। ভালো একজন সচেতন অফিসার

এক্সিডেন্ট হয়ে এখনো হসপিটালে ভর্তি অবস্থায় আছেন। এবং সার্কেল এসপি
দিনার আলম এর মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে আসতেছে। প্রতিদিনই অভিযান চালিয়ে
আসতেছেন নৌ থানার এসআই ও কনস্টেবল নিয়ে। কিন্তু মৎস অধিদপ্তরের
অফিসার বিমল বাবু এদিকে কোন নজর দিচ্ছে না। জনাব কফিল উদ্দিন পুলিশ
সুপার নৌপুলিশ বরিশাল অঞ্চল এর নেতৃত্বে ২১০ কেজি জাটকা ইলিশ বিভিন্ন
মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। কাল রাতে বরিশাল মহানগরীর
আমতোলা মোড় হতে রাত ১০ ঘটিকার এ সংক্রান্ত কোতয়ালী মডেল থানায়
একটি মামলা দায়ের করা হয়। যাহার মামলা নং- ৪৭/২৩, তারিখঃ ১৭-০১-২৩।
ওসির আব্দুল জলিলের পরিবর্তে দায়িত্বে আছেন অতিরিক্ত হিসাবে সার্কেল
এসপি দিনে আলম। একজন ভাল অফিসার এবং সাহসী অফিসার। প্রতিদিনিই
অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। যেখানে গুরুত্ব পয়েন্ট জাটকা ইলিশ পাচার হচ্ছে সেখানে
অনেক জুকিপুন জায়গা হয়ে আছে। সেখানে অনেক অভিযান চাল্লাচ্ছে না। উপজেলা
মৎস অধিদপ্তরের সঞ্জিব বাবু তিনিও অভিযানে গুরুত্ব দিচ্ছে না। প্রতিদিনই
ঝাটনা ট্রাকে ট্রাকে আসিতেছে। জাটকা নিধন করে দেলোয়ার ওরফে জাটকা
দেলোয়ার। সে প্রতিদিন বাঘরঝা ও ভাষানচরের নদীতে জাটকা শিকারের জন্য
কয়েকটি জাল ফেলে নদীতে। রাত গভীর হলে জালউঠানো শুরু করে। রাত গভীর
হওয়ার পরে ট্রয়লারে শত শত মত জাটকা চড়বাড়িয়া তালতলী বাজার সহ পাশের
সুবিধা জনক এলাকায় জড়ো করে। পরে তালতলী বাজারের মাছের আড়তদার মিরাজ,
কালু, নাসির মোল্লা, সাকিন, নাইম সহ প্রায় সকল আড়তদাররা জাটকা দেশের
বিভিন্ন স্থানে পাচার শুরু করে। তাদের এ পাচার কার্যে কখনও কেউ বাধা হয়ে
দাড়ায় না। কারন সবাই নানা রকমের সুযোগ সুবিধা নিয়ে চুপ থাকে। অভিযোগ

রয়েছে পুলিশ, কোষ্টগার্ড সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে জাটকা পাচারের সময়
অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার মিলছে না। কারন সংশ্লিষ্টরা খবর সাথে সাথে
পাচারকারীদের কাছে পৌছে দেয়। অতপর: পাচারকারীরা জাটকা নিয়ে নিরাপদ
স্থাণে লুকিয়ে পড়ে। নির্ভরযোগ্য সুত্র আরো জানিয়েছেন, তালতলী বাজারের
সকল আড়তদাররা কাউনিয়া থানার সকল পুলিশের সাথে সুবিধা দিয়ে সখ্যতা
গড়েছেন। জাটকা পাচারের অভিযোগ পেলে তারা সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেয় সুবিধা
নেয়া পুলিশ সদস্যরা। নাম প্রকান না করার শর্তে একাধিক জাটকা পাচারকারীরা
জানিয়েছেন, কখনও জাটকা শিকার ও পাচার বন্ধ করা যাবে না। কারন জাটকা
শিকার ও পাচার করে সংশ্লিষ্টরা প্রচুর টাকার মালিক হয়েছে। সেই টাকার কিছু
অংশ দিয়ে সকল মহলকে ম্যনেজ করা হয় সহজেই। মিডিয়ায় জাটকা শিকার ও
বানিজ্যের খবর এলে সাময়িক ভাবে দুই একদিন বন্ধ থাকবে। কিন্তু স্থায়ী ভাবে
বন্ধ করা যাবে।
তারিখ: ১৮-০১-২০২৩
মোবাইল : ০১৬২০৮৪৯৬০১

বরিশাল চরকাউয়া লাহারহাট ও ভোলা হাইওয়ে রোড রাস্তার কাজরে অনয়িম ও র্দুনীতি চলছে।

রমজান আহম্মেদ (রঞ্জু), বরিশাল ব্যুরো চীফ –
ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল সদর সাহেবেরহাট বন্দরথানা লাহারহাট হইতে চরকাউয়া পর্যন্ত
খুব ভয়াবহ অবস্থা। চরকাউয়া লাহারহাট ভোলা হাইওয়ে রোড রাস্তার কাজরে অনয়িম ও
র্দুনীতি চলছে দনিরে পর দনি। কন্তিু এ ব্যাপারে ঠকিাদার উজ্জল ও চঞ্চল ও কছিু
প্রভাবশালী ব্যক্তগিণ এবং কছিু অসাধু ভুয়া সাংবাদকিরা মলিে রাস্তাটকিে জম্মিি করে লক্ষ
লক্ষ সাধারণ জনগনদরে ভোগান্তি করে রাখছ।ে এই হাইওয়ে রাস্তাটি প্রতিনিয়তই
দূর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ট্রাক, লরী, কাভার্ড ভ্যান, ইত্যাদি পরিবহন
প্রতিনিয়তই দূর্ঘটনা ঘটিতেছে। এ বিষয়ে দেখার কেউ নেই। পরর্বতীতে এ ব্যাপারে
উজ্জল ঠকিাদাররে কাছে জানতে চাইলে তাৎক্ষনকি ভাবে সে বলনে আপনি এতো বারে বারে
কল করনে কনে। পরে ফোন রসিভি করলে জানতে চাইলে তনিি বলনে আপনি সাহবেরে হাট
এলাকার কছিু প্রভাবশালী লোকজন আমার রাস্তার কাজ আটকে রখেে বাধা সৃষ্টি করছ।ে
আমার কছিু করার নইে এবং আমি কছিুই করতে পারবাে না। এই বলে জানান। এই বষিয় এবং
দুগাপুর হইতে দনিাররে পোল পর্যন্ত কোন কাজ নির্মাণে কাজ চলছে না। প্রায়শাই বন্ধ
হয়ে পড়েছে হাইওয়ে ভোলা মহাসড়ক। বভিন্নি দরনরে অনয়িমে কাজরে কছিু প্রভাবশালীর
এবং সচবি গন হাত আছে বধিায় রাস্তার নর্মিাণ কাজ দু পাশরে জায়গার মালকিদরে টাকা বুঝে
দওেয়াতে তারা র্কোটে মামলা দায়রে করনে। এইচডরি কাজরে ব্যাপারে আপোষহীন চালানো
হয়। এবং র্দুগাপুর হইতে দনিাররে পোল পর্যন্ত কঠিন ভয়াবহ যে কোন মূহুর্তে আহত ও
নিহত হইতে পারে বলে জানা যায়। হাইওয়ে রুডের জন্য সরকার হাজার হাজার কোটি
টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কোন ঠিকাদার কর্তৃপক্ষরা কোন ধরনের তোয়াক্কা
করছে না। কারণ রাস্তার দুপাশের জায়গা মালিকদের রেকর্ড সম্পত্তি রয়েছে। তারা একটি
হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলো। এবং হাইকোর্ট থেকে রিট দিয়েছে বলে যানা

জায়। যাদের রাস্তার আশেপাশে জমির কাগজপত্র রয়েছে তাদেরকে একটি কলা গাছ থেকে
বিভিন্ন গাছপালা ক্ষতিগ্রস্থদের দাম দেওয়ার জন্য হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
কিন্তু নির্দেশ না মানাতেই কাজ বন্ধ অব্যাহতি রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
প্রভাবশালী ও ঠিকদার যেই হোক না কোন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে
এইচডির কর্তৃপক্ষ লোকজনেরা জানান। এই রাস্তাটি চরকাউয়া লাহারহাট ও ভোলা হাইওয়ে
বিশ্ব রোড নামে পরিচিতি একটি মহাসড়ক। এমতাবস্থায়, মানুষ যাহাতে ভোগান্তি
না পায় তাহার জন্য বিশেষ ভাবে পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞদের প্রতি আকুল ভাবে দৃষ্টি
আকর্ষন ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।

তারিখঃ ১৮-০১-২০২৩
মোবাইলঃ ০১৬২০৮৪৯৬০১

চরফ্যাশন প্রাথমিকে  সোয়া ৪  কোটি টাকা সুষম বন্টনে  লুটপাট! শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ-দূর্নীতির অভিযোগ। 
আবদুস সাত্তার, ভোলা প্রতিনিধিঃ
 ঘুষ-দুর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগ  চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।  শিক্ষকরা জিম্মি  হয়ে পড়েছেন দুর্নীতিবাজ এই শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, উৎকোচ ছাড়া  কোনো কাজ হয় না অফিসে।  কোনভাবেই মিলছে না  প্রতিকার। ধাপে ধাপে বাড়ছে তার উৎকোচ বাণিজ্যের চাহিদা।  আওয়ামীলীগ  হাজারী গঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর  ফরাজী   তার ঘুষ বাণিজ্য বন্ধে তাকে বদলির জন্য স্থানীয় এমপি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক  ভোলা,  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ করেছেন।  ফলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা  মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খাঁন তাকে পুর্ব কর্মস্থল  দাকোঁপ উপজেলার অনিয়ম দুর্নীতি ঘুষ বাণিজ্য সহ ৩ শিক্ষক  কে জিম্মি করে  ব্যংক  থেকে গৃহঋনের টাকা  মাসিক  পরিশোধ   শেষে  বেতন ভাতাদি ৬২ হাজার ৭ শত টাকা পরিশোধ  করে বাকী ৭ হাজার ৩ শত টাকায়  চরফ্যাশনে জীবনযাপন প্রশ্নবিদ্ধ  এবং চরফ্যাশনে ঘুষ বাণিজ্য,স্বজনপ্রীতি, অফিসে  হোমিওপ্যাথি চেম্বারে পরিনত করা  মর্মে  ২২-৪৬০ স্বারকে চিঠি দিয়ে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে  কেন  তাকে চাকরিচ্যুত বা  শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে না জবাব  দেওয়ার নির্দেশ  দেন। এছাড়া  তিনি আইন বর্হিভূত নবজাতীয়করন  শিক্ষকদের ২২ লক্ষ টাকা   শ্্রান্তিভাতা প্রদানের নামে সরকারি অর্থ অপচয় করার অভিযোগ করেছেন উক্ত সচিব। অভিযোগে সিনিয়র সচিব আরও উল্লেখ্য করেন  যে,  অফিসে বসে  হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করা সরকারী  চাকুরী বিধিমালা পরিপন্থী।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সিনিয়র সচিব’র আদেশ ও উপেক্ষিত অহিদুল ইসলামের কাছে।
২১-২২ অর্থ বছরে চরফ্যাশন প্রাথমিকে ৪ কোটি ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা বিভিন্ন খাতে বরাদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যর মাধ্যমে সুষম বন্টনে লুটপাট করেছেন গুটি কয়েক প্রধান শিক্ষক মিলে। গত ১২  সেপ্টেম্বর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ দূর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ  হলেও  এখন  পযর্ন্ত তার ব্যাপারে  কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি   কর্তৃপক্ষ। এ কারনেই  দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন তিনি ।
চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতসহ নানা দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ  তদন্ত সাপেক্ষে বিচার না হওয়ায় শিক্ষকরা হতাশায়। এছাড়াও অনলাইনে শিক্ষক বদলীর   অর্থ বাণিজ্যর অভিযোগ রয়েছে।এসব বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ভূক্তভোগী শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগের এযাবৎ তদন্ত হয়নি। জানা গেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে  তার রয়েছে ঘনিষ্টজন।
অভিযোগগুলোর সূত্রে জানা যায়,সরকারীভাবে  চরফ্যাশন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে  ৪  কোটি  ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা  ২০২১-২০২২ইং অর্থবছরের ক্ষুদ্র  মেরামত কাজের বিভিন্ন বরাদ্ধ  আসে। এর মধ্যে ১০২ টি বিদ্যালয়ের নামে  ২ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ আসে। ৬টি বিদ্যালয়ের নামে নীড  বেজ বাবদ  বিদ্যালয় প্রতি বরাদ্দ আসে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২১৩ টি প্রতিষ্টানের নামে  ¯িøপবরাদ্দ বাবদ বিদ্যালয় প্রতি ৫০ হাজার টাকা  থেকে ৭০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ  দেয়া হয়। ২১২ টি বিদ্যালয়ের নামে প্রাক- প্রাথমিক বরাদ্দ বাবদ বিদ্যালয় প্রতি ১০ হাজার টাকা করে  দেয়া হয়। ২১২টি বিদ্যালয়ের নামে  কোভিডকালে  বিদ্যালয় প্রতি ১২ হাজার টাকা  বরাদ্ধ আসে। ওয়াস বøক বাবদ বিদ্যালয় প্রতি ১০ হাজার টাকা  থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বরাদ্ধ আসে।  বরাদ্ধকৃত টাকা উত্তোলন করতে হলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অফিস সহকারী ছাত্তারের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয় বিদ্যালয় প্রতি ১০ হাজার টাকা। নীড  বেজ  থেকে বিদ্যালয় প্রতি ৭ হাজার ৫ শ’ টাকা। রুটিন  মেইনটেন্যান্স  থেকে বিদ্যালয় প্রতি ২ হাজার টাকা। প্রাক- প্রাথমিক  থেকে  ৫শ’ টাকা। ওয়াসবøক  থেকে বিদ্যালয় প্রতি ৫শ’ টাকা। মহামারী কোভিড -১৯এর সময়ে বরাদ্দ  থেকে বিদ্যালয় প্রতি ৫ শ’ টাকা। টাকা দিলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলী  মোঃ   মোশাররফ  হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টার অফিসারের প্রত্যায়নের মাধ্যমে কাজের মান সন্তোষজনক এই মর্মে প্রত্যায়ন সংযুক্ত করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে আবেদনের মাধ্যমে  চেক প্রদান করলে বরাদ্ধকৃত টাকা উত্তোলন করা হয়। টাকা না দিলে মিলত না প্রত্যায়ন।
এ বিষয়ে  অফিস সহকারী ছাত্তারের সাথে  যোগাযোগ করলে তিনি জানান স্যারের সাথে কথা বলেন। আমি কোন কথা বলব না।
 সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যমে তার ঘুষ বাণিজ্য, শিক্ষকদের জিম্মি করে টাকা আদায় সহ অপকর্ম নিয়ে  লেখালেখি হলে মঙ্গলবার দুপুরে সকল প্রধান শিক্ষকদের তার কার্যালয়ে নিয়ে অলিখিত সাদা কাগজে স্বাক্ষর  নেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক  নেতা জানান, স্যার খুব ভাল। তিনি না থাকলে এসব প্রকল্পর কাজ করা সম্ভব হতনা। কিছু প্রধান শিক্ষকের মন মত কাজ না করায় এগুলো রটাচ্ছে।
চরফ্যাশন উপজেলা শিক্ষা অফিসার অহিদুল ইসলাম বলেন,  প্রকল্পের কাজে  কোন শিক্ষকের কাছে  থেকে আমি  কোন টাকা নেইনি।আমার বিরুদ্ধে শিক্ষকদের অভিযোগ সত্য নয়।
ব্যা্কং থেকে  নেয়া গৃহঋণের  টাকা   কেটে  নেয়ার পর   বেতন ভাতাদির ৭ হাজার ৩ শত টাকায় কিভাবে মাসিক ব্যয় নির্বাহ করেন, জানতে চাইলে তিনি  এ প্রতিবেদককে  কোন জবাব না দিয়ে  চেয়ার  ছেড়ে চলে যান।
আবদুস সাত্তার
ভোলা প্রতিনিধি
01715605612