“ফকিরহাটে আনসার ও ভিডিপির সমাবেশে বাইসাইকেল বিতরণ”


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২১, ২০২২, ৬:৫৮ অপরাহ্ন / ২৮২
“ফকিরহাটে আনসার ও ভিডিপির সমাবেশে বাইসাইকেল বিতরণ”
“ফকিরহাটে আনসার ও ভিডিপির সমাবেশে বাইসাইকেল বিতরণ”
মেহেদি হাসান নয়ন, বাগেরহাট –
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা আনসার ও ভিডিপি সমাবেশ রোববার (২০ নভেম্বর) বেলা ১২টায় উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, দক্ষ আসনার সদস্যদের মাঝে বাইসাইকেল ও ছাতা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-পরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সেলিমুজ্জামান। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ,। ফকিরহাট সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিধান কান্তি হালদারের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাট আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা কমান্ড্যান্ট মো. মাজহারুল ইসলাম ভঁ‚ইয়া, মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মু. আলীমুজ্জামান।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আশালতা মন্ডল। অনুষ্ঠানে ৫জন দক্ষ আনসার সদস্যকে বাইসাইকেল ও ১০জনকে ছাতা প্রদান করা হয়েছে। এসময় বিভিন্ন কর্মকর্তা ও আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
“বাগেরহাটে বিশ্বকাপ উপলক্ষে পতাকা-জার্সি বিক্রির ধুম”
মেহেদি হাসান নয়ন, বাগেরহাট –
২০ নভেম্বর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠবে ২২তম কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের। এ বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে দেশের অন্যঞ্চলের মত বাগেরহাটে বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা।বিশ্বের সঙ্গে এ রোমাঞ্চের জন্য অধীর আগ্রহে খেলা দেখার জন্য মুখ তাকিয়ে আছেন বাগেরহাটের সমর্থকরাও।
বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই এক ধরনের ফুটবল উন্মাদনা সৃষ্টি হয়।বাগেরহাট সদর বাজারসহ বিভিন্ন উপজেলার পথে-ঘাটেই পাওয়া যায় ভ্রাম্যমাণ পতাকা বিক্রেতাদের। বিশ্বকাপ রোমাঞ্চের জন্য অধীর আগ্রহে খেলা দেখার জন্য রয়েছেন  সমর্থকরাও।এরই অংশ হিসেবে বাড়ছে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পতাকা বিক্রির হিড়িক। বিভিন্ন বয়সী মানুষ আসছেন জার্সি কিনতে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও যুবকরা বেশি কিনছেন। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও জার্মানির জার্সি। প্রতিটি জার্সি কাপড় ভেদে ৩০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
কাতারে ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। চার বছর পর পর বিশ্বকাপ শুরু হলেও মানুষের মন থেকে ফুটবলের আনন্দ কমে না।বিশ্বের সঙ্গে এ রোমাঞ্চের জন্য অধীর আগ্রহে রয়েছেন বাংলাদেশি সমর্থকরাও। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রির ধুম। এরই মধ্যে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দেখা যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আমেজ।অধীর অপেক্ষায় দিন গুনছেন ফুটবলপ্রেমীরা।নিচ্ছেন প্রিয় দলকে সমর্থনের প্রস্তুতিও। তারই অংশ হিসেবে বাড়ছে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রিয় দলের পতাকা ও জার্সি সংগ্রহ করছেন অনেকে।
বাগেরহাটের চিতলমারী বাজারে  অনেকে ফেরি করে পতাকা বিক্রি করছেন। তারা পথে পথে হেঁটে লাঠিতে পতাকা বেঁধে বিক্রি করছেন শহরের বিভিন্ন সড়কে। বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক বেশি থাকায় এই দুই দেশের পতাকা বিক্রি হয় বেশি। এ ছাড়াও গত কয়েক বছর জার্মানি, স্পেন ও পর্তুগাল ও ফ্রান্সের সমর্থক বেড়েছে। তাই এসব দেশের পতাকাও কমবেশি বিক্রি হচ্ছে। পতাকা বিক্রেতা মো. নাজমুল  হোসেন জানান, বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফেরি করে পতাকা বিক্রি করি। কয়েক দিন আগে বিক্রি কম ছিল। বিশ্বকাপের দিন যত ঘনিয়ে আসছে পতাকা বিক্রিও তত বাড়ছে। আমি বাংলাদেশ,আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স , ইংল্যান্ড, স্পেনসহ বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করছি।বিভিন্ন সাইজ এবং কোয়ালিটি ভেদে প্রতিটি পতাকা ৫০ -৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি।বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করি।তবে অন্যান্য বিশ্বকাপের তুলনায় এবছরের পতাকা বিক্রি কিছুটা কম।তবে আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যেই বিক্রি অনেক বেড়ে যাবে।সমর্থকদের মধ্যে যারা দেশপ্রেমিক তাহারা পছন্দের দেশের পতাকার পাশাপাশি নিজের দেশের পতাকাও কিনছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করি তবেওপতাকা ১৪০-১৬০ টাকায়, আর্জেন্টিনার পতাকা ১৫০-২০০ টাকায়, জার্মানির পতাকা ১০০-১৫০ টাকা, স্পেনের পতাকা ১৩০ টাকা ও পর্তুগালের পতাকা ১০০ টাকায় বিক্রি করছি।ছোট আকারের ৩০ থেকে ৫০ টাকা, মাথায় বাঁধার ফিতা ১৫ টাকা, আর রাবারের ফিতা ২৫ টাকা, লাঠি পতাকা ১৫ টাকা আর চরকি পতাকা ১৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন তিনি। প্রতিদিন গড়ে যা বিক্রি করি তা দিয়ে দিন চলে যায়। আবার সবকিছুর দাম বেশি সে কারণেই লাভ তেমন হচ্ছে না।
বিশ্বকাপ খেলাকে সামনে রেখে পতাকা কিনতে আসা রাজু  নামের একজন বলেন,বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দরজায় কড়া নাড়ছে। তাই প্রিয় দল আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে একটি পতাকা কিনে নিলাম। এদিকে পতাকার পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের জার্সি ও বিক্রি হচ্ছে। বাসা-বাড়ির ছাদ কিংবা দোকানঘরে ওড়ানোর জন্য পছন্দের দেশের পতাকা সংগ্রহ করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।পতাকার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, চায়ের দোকান থেকে বাড়ির উঠোনে যুক্তিতর্কে মেতে উঠবেন ফুটবলপ্রেমীরা।