পাঁচবিবিতে সরকারী বন বিভাগের বেহাল অবস্থা চলে মাদক সেবীদের বিচরণ।


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১০, ২০২২, ৭:৩৫ অপরাহ্ন / ২৩০
পাঁচবিবিতে সরকারী বন বিভাগের বেহাল অবস্থা চলে মাদক সেবীদের বিচরণ।
পাঁচবিবিতে সরকারী বন বিভাগের বেহাল অবস্থা চলে মাদক সেবীদের বিচরণ।
মোঃ আমজাদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার জয়পুরহাট –
অযত্ন অবহেলায় এখন জরাজীর্ণ জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থিত সরকারি বন বিভাগের অফিসটি। অফিস চত্বরটি পরিণত হয়েছে মাদকসেবী আর অপরাধীদের আখড়ায়। এখানে সরকারি ভাবে বন বিভাগের ফলদ বনজ ও ঔষধি বিভিন্ন গাছের চারা উৎপাদন ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা কিন্তু তা না করে বন বিভাগের বাগান মালী বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে করেছেন ফসলের চাষ। ১৯৯০ সালে পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ এলাকায় প্রায় ১২ বিঘা জমির ওপরে সামাজিক বনায়ন ও বাগান কেন্দ্র পাঁচবিবি এবং সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বিভিন্ন গাছের চারা উৎপাদন ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও সরেজমিনে দেখা যায়,১২ বিঘা জমির মধ্যে প্রায় ৩ শতক জমির ওপর সামান্য কিছু চারা রাখা আছে আর অবশিষ্ট জমিতে পাঁচবিবি বন বিভাগের বাগান মালী মতিউর রহমান করেছেন ধানের আবাদ জমি গুলোতে গাছের চারা উৎপাদন করলে সরকার রাজস্ব পাবে। এখানকার অফিস সহ ছোট-বড় কয়েকটি ভবনের দরজা-জানালা চুরি হয়ে জরাজীর্ণ ও জনশূন্য হয়ে পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে বাড়িতে স্থানীয়দের অভিযোগ মাদকসেবী ও অপরাধীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।
বন বিভাগের অফিস এলাকার জুলেখা বেগম, তহমিনা বেগম, শারমিন আক্তার সহ অনেকে সাংবাদিকদের বলেন, এই বন বিভাগে সরকারিভাবে বিভিন্ন চারাগাছ উৎপাদন করার কথা। কিন্তু বর্তমানে জনশূন্য ও ভুতুড়ে পরিবেশ হওয়ায় প্রতিদিন মাদকসেবীরা আসে। বাইরের লোকজন এসে বিভিন্ন প্রকার খারাপ কাজ করে। তাদের কিছু বললে বিভিন্ন রকম হুমকি দেয়। এতে আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে অনেক সমস্যা ও ভয়ের মধ্যে থাকি। পাঁচবিবি উপজেলা সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাগান মালী মতিউর রহমান বলেন,স্যারদের বলে ফসলের চাষ করছি। খোলা পরিবেশে উন্মুক্ত নার্সারি, চারদিক দিয়েই মানুষ ঢুকতে পারে সব সময় নেশাখোর ও খারাপ লোকজন চলফেরা করে। আমি ভয়ের মধ্যে থাকি। তাদের কিছু বললে আমিই বিপদে পড়ি। সামাজিক বনায়ন ও বাগান কেন্দ্র পাঁচবিবি এবং সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা হারুনুর রশিদ বলেন, এখানে খারাপ প্রকৃতির লোক জনের আনাগোনা আছে জনবল সংকট। এখানে একজন মাত্র মালী আছেন তিনি সব সময় প্রাণের ভয়ে থাকেন অফিসের হাল ভালো ছিল না। একটা রুমের জানালা-দরজা মেরামত করে আমি অফিস করছি সরকারী বরাদ্ধ নেই বরাদ্ধ এলেই চারা উৎপাদন করা হবে।
পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল শহিদ মন্ডল বলেন, আমার কাছেও মাঝে মাঝে বিভিন্ন অভিযোগ আসে উপজেলা সমন্বয় মিটিংয়ে পাঁচবিবি বন বিভাগের অবস্থার ব্যাপারে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে সংস্কার করলে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসবে বলে জানান তিনি।