নীলফামারীর ডিমলায় বুড়ি তিস্তা নদী খননে স্থানীয়দের বাঁধা প্রদান করেছেন।  


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৯, ২০২২, ৭:১২ অপরাহ্ন / ৪২০
নীলফামারীর ডিমলায় বুড়ি তিস্তা নদী খননে স্থানীয়দের বাঁধা প্রদান করেছেন।  

নীলফামারীর ডিমলায় বুড়ি তিস্তা নদী খননে স্থানীয়দের বাঁধা প্রদান করেছেন।  
মোঃ হাবিবুল হাসান হাবিব, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি :

নীলফামারীর ডিমলায় বুড়িতিস্তা নদী খনন কাজে বাঁধা প্রদান করেছেন ডিমলা সদর সহ পার্শ্ববর্তী ডোমার ও জলঢাকা উপজেলা সস্রাধিক স্থানীয় জনগন। জানা যায়, একনেকের অনুমোদনে সারাদেশে ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পূণঃ খননের অধিনে ক্যাট প্রকল্পের আওতায় পাউবোর অধিনে নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ডিমলা বুড়ি তিস্তা নদী পূণঃখনে দৈর্ঘ্য ৪.৫০ কিঃমিঃ ও প্রস্থ ২.৫০ কিঃমিঃ ও ব্যরেজের খনন ৯ ফিট গভীরতায় প্রায় ৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করে একনেক সভায়। ক্যাট প্রকল্পের আওতায় সর্বনিম্ন দর দাতা হিসেবে কাজটি পায় স্টান্ডার ইঞ্জিয়ারিং কোম্পানী। ঠিকাদারী  প্রতিষ্ঠানটি বুড়িতিস্তা নদী খননের কাজ করতে গেলে নদী পার্শ্ববর্তী তিন উপজেলার জনগন একত্রিত হয়ে নদী খনন কাজে বাধা বিঘœ সৃষ্টি করতে পারে মর্মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্টান্ডার ইঞ্জিয়ারিং কোম্পানী প্রশাসনকে অবগত করে। এরই প্রেক্ষিতে নীলফামারী জেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ ও ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ লাইছুর রহমান সহ সঙ্গীয় ফোর্স ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন সেখানে উপস্থিতি ছিলেন। শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২.৩০ ঘটিকার সময় পঁচারহাট নামক স্থানে ডিমলা সদর সহ পার্শ্ববর্তী ডোমার ও জলঢাকা উপজেলা সস্রাধিক স্থানীয় জনগন প্রশাসন ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের উপর বাধা দেয় ও এক পর্যায়ে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষে ১টি মোটরসাইকেল ও ১ টি মাটিকাটা এস্কেভেটর (ভেকু) গাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়, ২টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে, ৬ সিলিন্ডার ৩টি মেশিন ও ৩২ গোড়া ২টি মেশিন আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের একটি টিনের ঘর ভাংচুর করে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জানান আমাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কয়েক কোটি টাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ডিমলা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন সহ ডোমার-ডিমলা সার্কেল আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কুঠির ডাঙ্গা গ্রামের স্থানীয় জনগন জানান, নদী খনন নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। তবে আমাদের আবাদী জমি খনন করতে দিব না। ম্যাপের যে নদী আছে সেটা তারা খনন করুক। ভুক্তভোগীগন বলেন, ইতি পূর্বে জমি নিয়ে মহামান্য হাইকোর্টে দুইটি মামলা এবং নীলফামারী নিম্ন আদালতে তিনটি মামলা চলমান রয়েছে।  এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন ও ডোমার-ডিমলা সার্কেল আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সংবাদকর্মীদের জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনাটি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে এ বিষয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।