“নির্মাণের ৫৪ বছর অতিবাহিত হলেও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু নবাবগঞ্জে দারিয়া সেতু পুনঃনির্মানের দাবি এলাকাবাসীর”


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৩, ২০২২, ৭:৫৬ অপরাহ্ন / ২৫৬
“নির্মাণের ৫৪ বছর অতিবাহিত হলেও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু নবাবগঞ্জে দারিয়া সেতু পুনঃনির্মানের দাবি এলাকাবাসীর”

“নির্মাণের ৫৪ বছর অতিবাহিত হলেও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু নবাবগঞ্জে দারিয়া সেতু পুনঃনির্মানের দাবি এলাকাবাসীর”
নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে এম সাজেদুল ইসলাম(সাগর) –
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের দারিয়া গ্রামে একটি ডোবার
উপর ঝুকিপূর্ণ সেতু দিয়ে পারাপার হচ্ছে ৫০ গ্রামের জনসাধারন। যে কোন মুহুর্তে
সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে প্রাণহানির আশংকা করছে এলাকাবাসী। দারিয়ার সহ ৫০ গ্রামের
মাুনষের প্রানের দাবি সেতুটি ভেঙ্গে ফেলে নতুন সেতু নির্মানের দাবি জানিয়েছেন।
দারিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো.
আজিজুল হক জানান, ১৯৬৭-৬৮ অর্থ বছরে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম
সলিমুদ্দিন সেতুটি নির্মান করেন। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার ফলেও সংস্কার ও মেরামত না
করায় সেতুর বিভিন্ন স্থানে সিমেন্ট বালি খুলে পড়ে রড বের হয়েছে এবং একাধিক স্থানে
বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে।তিনি আরো জানান, সেতু থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার
সাথে সংযোগ স্থল হিসেবে দারিয়া সেতুটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার নির্দেশে করতোয়া নদীতে জন্তীপুরের ঘাটে বড় সেতু নির্মিত হওয়ার
কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। ওই সেতুটি দিয়ে মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৫০ গ্রামের
জনসাধারন দারিয়া সেতু হয়ে দাউদপুর ভাদুরিয়া, রানীগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, গোবিন্দগঞ্জ,
নবাবগঞ্জ বাংলাহিলি হয়ে জয়পুরহাট, বিরামপুর হয়ে দিনাজপুর সহ গোটা দেশের
যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি হবে। ৮নং মাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহিম
বাদশা জানান, সেতুটি নির্মানের জন্য এলজিইডির দিনাজপুর জেলার নির্বাহী
প্রকৌশলীর সাথে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এবিষয়ে দারিয়া গ্রাম
নিবাসী ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ ইকরামুল হক জানান, সামনে বর্ষা আসছে
এর আগেই সেতুটি নির্মান না করা হলে এলাকাবাসী সেতুর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
অচিরেই সেতুটি নির্মানের দাবী জানান তিনি। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী
মোঃ মুনছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সেতুটি পরিদর্শন
করেছি। মাটি পরীক্ষার জন্য পত্র কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে। ওই রিপোর্ট আসলেই টেন্ডার
প্রক্রিয়া শুরু হবে।
প্রেরক,
এম সাজেদুল ইসলাম(সাগর)
প্রতিনিধি
নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
০১৭৪৪-৬০৬২৫৪;
তারিখঃ ২২.১১.২০২২