‘কুমিল্লা বরুড়ায় সরকারের নিষেধ অমান্য করে চলছে  ড্রেজার মেশিনে মাটি উত্তলনের কাজ’


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৯, ২০২২, ২:৩৪ অপরাহ্ন / ৩১৯
‘কুমিল্লা বরুড়ায় সরকারের নিষেধ অমান্য করে চলছে  ড্রেজার মেশিনে মাটি উত্তলনের কাজ’
‘কুমিল্লা বরুড়ায় সরকারের নিষেধ অমান্য করে চলছে  ড্রেজার মেশিনে মাটি উত্তলনের কাজ’
 কুমিল্লা জেলা ব্যুরোঃ মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া (বাবুল)
কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়  সরকারের চোখকে ফাঁকি দিয়ে চলছে ড্রেজার মেশিনে মাটি উত্তলনের কাজ।
 ড্রেজার মেশিন ও ভূমি দস্যুদের সাথে কথাবলে জানাযায়, অনেকে মুজিব বর্ষের ঘর ভরাটের নামে, ড্রেজার  মেশিন দিয়ে মাটি উত্তলনের কাজ চালায়, এতে করে আবাদি ফসলের জমি নষ্ট হচ্ছে, তেমনি করে বাড়ির পাশে গভীর গর্তের কারনে ছোট বাচ্চাদের মরন ফাঁদ সৃষ্টি হচ্ছে। সরজমিনে ঘুরে দেখায় যায় তার উল্টো চিত্র, এখন প্রশ্ন আসে আসলে কি মুজিব বর্ষের ঘর ভরাট করেছে, নাকি মুজিব বর্ষের ঘর ভরাটের নামে মাটি বিক্রি করেছে , এই ভাবে চলছে ভূমি ও ড্রেজার দস্যুদের মাঠি বিক্রি করার হিরিক।  এই বিষয়ে অনেকে ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ,  স্থানীয়  কারো কারো অভিযোগ বাড়ির পাশে থাকা আবাদি জমি থেকে মাটি উত্তলন করলে, যার আবাদি জমি থেকে মাটি উত্তলন করবে, তার পাশে থাকা আবাদি জমি ভেঙে পরার সম্ভবনা বেশি এতে করে কৃষকের ক্ষতির পরিমান বেশি হতে পরে, দেখা যায় কোন এক সময় এই নিয়ে দন্ধসৃষ্টি হতে পারে।
আবার দেখা যায় বাড়ির পাশে আবাদি জমির থেকে ড্রেজার মেশিনে মাটি উত্তলন করলে গভীরগর্ত হয়।  যেখানে বুরো জোয়ান বা ছোট বাচ্চা এই গর্তে পড়লে লাশ ছাড়া জীবিত ফেরার আশংঙ্কা নেই , এই ভাবে অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে।
এই বিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার বা চেয়ারম্যানের  সাথে কথাবলে জানাজায় তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু প্রভাবশালি ভূমি ও ড্রেজার মেশিন দস্যু মাটি উত্তলনের কাজ চালিয়ে যায়। ১৩ নং আদ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাথে কথা বলে, চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান ( লিমন) বলেন আমার এলাকায় এই ধরনে ভূমি ও ড্রেজার মেশিন দস্যুর সন্ধান পেলে প্রশাসনের সহযোগিতা আমি ব্যাক্তি গত ভাবে আইনের আওতায় আনবে বলে জানান।
পরে বরুড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্তঃ  নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসানর সাথে কথাবলে, ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান বলেন এই বিষয়ে আমরা ভূমি ও ড্রেজার মেশিন দস্যুদের কোন রকম ছাড় দিবোনা, তার বড় কারন হচ্ছে  এই বিশাল গর্তে অনেক মায়ের শিশু  বাচ্চা পরে নিহত হয়েছে, তার পাশা পাশি আবাদি জমি বিনষ্ট হচ্ছে, তাই সরকারের নিয়ম নীতি মেনে ঐ সকল ভূমি ও ড্রেজার মেশিন দস্যুদের খোঁজ পেলে আইনি ব্যাবস্থানিবো।
এই বিষয়ে  স্থানীয় প্রশাসন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুদৃষ্টি কামনা করছেন, এলাকার হত দরিদ্র কৃষকগন। এইটা  আমাদের কৃষকের প্রাণের দাবি।